১, ডিসেম্বর, ২০২১, বুধবার

করোনার সংক্রমণরোধে বন্ধ অফিস-কারখানা, বাসে যাত্রী অর্ধেক করার প্রস্তাব

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বেড়ে যাওয়ায় জরুরি সেবা–প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানা বন্ধ রাখা, উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ বেশকিছু প্রস্তাবনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২৫ মার্চ এ সংক্রান্ত চিঠি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, ‘সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামীদিনগুলোতে কী করণীয়, সে বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক যে কমিটি আছে, তাদের পরামর্শক্রমে এ করণীয় ঠিক করা হয়েছে।’

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য সব অফিস–শিল্পকারখানা বন্ধ রাখা, জরুরি সেবা–প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩৩ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে থাকা এবং অসুস্থ, গর্ভবতী ও ৫৫ বছর বেশি বয়সী ব্যক্তিদের বাড়ি থেকে অফিস নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়সহ যে কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে জনসমাগম নিষিদ্ধ করা এবং কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন সেন্টারে বিয়ে, জন্মদিন, সভা, সেমিনার ইত্যাদি অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে সোমবার (২৯ মার্চ) করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার নতুন করে ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। এর মধ্যে বেশি সংক্রমিত এলাকায় জনসমাগম নিষিদ্ধসহ রাত ১০টার পর প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশনাসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যু ও সংক্রমণের হার ক্রমাগত বৃদ্ধির কারণে গত বছরের ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম দফায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে সংক্রমণের হার না কমায় সাত দফায় ছুটি বাড়িয়ে টানা ৬৬ দিন বন্ধের পর ১৩ জুন সব কিছু খোলা হয়েছিল।

সর্বশেষ নিউজ