bitcoin investment trust buy shares best forex trading platform for wimdows close option binary review is bitcoin trading profitable crypto trading rsi td ameritrade mt4 trading platform bitcoin invest club ltd 2018 besst binary option broker non binary genital options how do i learn bitcoin trading any good free trading platform binary put option vega crypto cap trading view binary options trading profitable green room academy binary options binary options brokers com binary options trading - the bandit strategy bitcoin trading bot platform binary options cpa affiliate bitcoin investment companies in india crypto currency trading exchanges live bitcoin practice trading bitcoin trading book bitcoin investing vs mining trading tactics crypto binary options no minimum deposit is robinhood trading crypto currency gsm b2b trading platform crypto bridge trading volume free bitcoin trading broker http www cmegroup com trading cf bitcoin reference rate html bitcoin investment trust price shanghai and bitcoin trading if you invested in bitcoin in 2010 usd e-wallet for bitcoin trading binary call option theta how to invest in bitcoin ireland how much is invested in bitcoin trading binary options: strategies and tactics, second edition make money trading bitcoin with 300 free binary options professionals metatrader 4 trading platform free download binary option streaming service bitcoin trading kaise kare warren buffett bitcoin investment how to become a binary option broker trading bitcoin using renko charts binary options 101 blog who owns bitcoin investment trust binary options trading leads binary options bot autotrader investment site s bitcoin ibb trading platform for verticals 30 second binary options demo account trading platform e trade pro what brokers trade bitcoin investment trust brokers that offer binary options bitcoin investment pictures bitcoin trading club net nytimes bitcoin trading
১৮, এপ্রিল, ২০২১, রোববার

কেউ গন্ধে মুখ ঢেকে পালিয়ে বাঁচে,আবার কেউ সেই গন্ধে জীবনের গল্প খোঁজে !

‘‌‌‌‍ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’ কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য্যের কবিতার একটি লাইন‍। আসলে বিংশ শতাব্দীর অধিকাংশ বাঙালীরা ক্ষুধার সাথে খুব পিরিচিত, হয়তো তারা পূর্ণিমা চাঁদকে ঝলসানো রুটি মনে করে তার দিকে তাকিয়ে থাকতো।

কিন্তু বর্তমানে বাঙালীদের পেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে। এখন দেশ উন্নয়নের দিকে। কিন্তু আজ ও হাজার হাজার বাঙালীর সন্তান যারা বস্তির অধিবাসী, টোকায়, দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগার করতে পারে না- তাদের কাছে ঝলসানো রুটিকে আকাশের পূর্ণিমা চাঁদের মতোই আরাধ্য লাগে।

নিয়তির খেলা বোঝা বড় দায়, কেউ স্বপ্ন দেখে গাড়ি- বাড়ি করার আবার কেউবা স্বপ্ন দেখে দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বাঁচার। জীবন অতিষ্ট হয়ে যাওয়া ডার্স্টবিনের গন্ধে নাকে কাপড় কিংবা টিস্যু চেপে ধরি আর দ্রুত হেটে গিয়ে নিঃশাস ফেলি।

দম আটকে আসা কি বিচ্ছিরি গন্ধ , আমরা কি ভুল করে একবারের জন্যেও ভেবেছি এই ডার্স্টবিনেই কেও খুঁজে চলেছে তার খাবার। চোখ বন্ধ করে ভাবুনতো একবার , নিজেকে তার জায়গায় দাঁড় করুন। কি ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে তাই না?

দিনের পর দিন অনাহারে থাকা মানুষটা জানে ক্ষুদার কি যন্ত্রনা , কি কষ্ট। হাজারটা মানুষের পায়ে পরেও, হাজার মিনতির পরেও একটু খাবার জুটে না তখন সে বুঝে যায় এই নিষ্ঠুর পৃথিবী কেও কারো নয়. তখন ওই দুর্গন্ধ ডার্স্টবিনটাই হয়ে উঠে একমাত্র অঢেল বিশ্বাসের জায়গা।

সে জানে সারা পৃথিবী তাকে ফিরিয়ে দিলেও ওই ময়লা ডার্স্টবিনটা তাকে ফিরাবে না। তাই অবিরাম খুঁজে চলা একটু খাবারের আশায় টকশোতে গিয়ে গোলটেবিলে বসে, চায়ের চুমোকে টকশো কাঁপানো বক্তৃতা দিয়ে এই কষ্ট অনুভব করা যাবে না , চারপাশটা দেখুন, খেয়াল করুন, তাকান আশেপাশের অসহায় মানুষ গুলির দিকে।

রাজনীতি বা রাজ্যনীতি যারাই করেন , এই দায়ভার তো তাদেরই , ছিন্নমূল এই মানুষরা তো আমাদেরই অংশ. আপনার আমার একটু সুনজরই পারে অনাহারে, অবহেলায় , অন্ধকারে থাকা মানুষগুলিকে আলোর মুখ দেখাতে।

আসুন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই ছিন্নমূল এই মানুষদের পাশে দাঁড়াবার, তবেই সত্যিকার অর্থে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

ঈদের আগেই সব তৈরি পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার পরিকল্পনা করছে বিজিএমইএ৷ তারা বলছে, করোনায় কোনো শ্রমিকের কিছু হলে তার সব দায়দায়িত্ব মালিকরা নেবেন৷ যদিও এখনো তিনশ কারখানার শ্রমিকরা বেতন পাননি৷

বিজিএমইএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরশাদ জামাল দিপু জানিয়েছেন,‘ঈদের আগেই সব তৈরি পোশাক কারখানা খুলে যাবে।’আর তৈরি পোশাক মালিকদের এই সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট রুবানা হক বলেছেন,‘করোনায় কোনো শ্রমিকের কিছু হলে সব দায়িত্ব আমরা নেব৷’

কত কারখানা খুলেছে বিজিএমইএ জানিয়েছে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকা, গাজীপুর, সাভার , আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের ৮৯০টি কারখানা চালু হয়েছে৷ শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিয়েছেন৷

মোট শ্রমিকদের ৪২ ভাগ কাজে যোগ দিতে পেরেছেন৷ আরশাদ জামাল দিপু বলেন,‘আমরা ফেস বাই ফেস পোশাক কারখানা খুলে দেব৷ বাইরের জেলাগুলো থেকে যেহেতু যাবাহন চলাচল বন্ধ আছে তাই সেখান থেকে শ্রমিকদের আসতে নিষেধ করছি৷ তবে ৭ তারিখের পরে এই সমস্যা থাকবে না বলে মনে হয়৷ ঈদের আগে অবশ্যই সব পোশাক কারখানা খুলে যাবে৷’

বিজিএমইএ যে কারাখানাগুলোর হিসেব দিচ্ছে সেগুলো আসলে সরাসরি পোশাক রপ্তানি করে৷ বিজিএমই বলছে এই রকম পোশাক কারখানার সংখ্যা দুই হাজার ২৭৪টি ৷ সদস্যভুক্ত কারখানাগুলোতে ২৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১৭ জন শ্রমিক আছেন৷

কিন্তু বাস্তবে পোশাক কারখানার সংখ্যা সারাদেশে সাড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি৷ কারণ অনেক কারখানা আছে যারা সাব কন্ট্রাক্টে কাজ করে৷ এসব কারখানায় ৫০ লাখের বেশি শ্রমিক কাজ করেন৷ শিল্প পুলিশ সূত্র জানায়, সারাদেশে এপর্যন্ত আড়াই হাজারের বেশি পোশাক কারখানা খুলেছে৷

জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি জানান,‘আমাদের হিসেবে সারাদেশে তিন হাজারের মত পোশাক কারখানা খুলেছে৷ ১ মে এর পর ধীরে ধীরে সব কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৷’ পোশাক কারখানা যেভাবে খোলা হচ্ছে বিজিএমইএ বলছে,

পোশাক কারখানাগুলোর ভিতরে এবং শ্রমিকদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই কারখানাগুলো খোলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে৷ এটা নিশ্চিত করার জন্য মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে৷ রুবানা হক জানান,‘যেসব কারখানা খোলা হয়েছে তার ভিতরের ছবি আমরা সংগ্রহ করছি যাতে সেখানকার পরিস্থিতি বোঝা যায়৷

কেউ যদি কোভিড আক্রান্ত হন তা যেন গোপন করা না হয়৷ আমাদের ওয়াচ কমিটি আছে৷ আমাদের সাথে চিকিৎসকরা আছেন৷ কোনো শ্রমিক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, বিপদে না পড়েন সেটা আমরা দেখব৷ যদি কোনো শ্রমিকের কোনো কিছু হয় তাহলে সম্পূর্ণ দায়ভার আমাদের৷

আমরা তার খরচ থেকে শুরু করে সবকিছু দেখব৷ আমরা শ্রমিকদের করোনা টেস্টের জন্য চারটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনেরও উদ্যোগ নিয়েছি৷’ তিনি আরো বলেন,‘যেসব শ্রমিক আগেই এসেছেন বা গ্রামের বাড়িতে যাননি তাদের দিয়েই কারখানা খুলছি সীমিতভাবে৷ কোনো কোনো শ্রমিক বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে চাকরির জন্য৷ তাদের আমরা নিরুৎসাহিত করছি৷

তাদের আমরা এপ্রিল মাসের বেতন তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেব৷’ তবে সারাদেশে জরুরি সেবার বাইরে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও শ্রমিকরা নানাভাবে পোশাক কারখানায় ফিরছেন৷ বিশেষ করে ফেরিঘাটগুলোতে শ্রমিকদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা যাচ্ছে৷ শ্রমিক নেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন,‘কারখানাগুলোতে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও সামজিক দূরত্বের কিছু ব্যবস্থা নেয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয়৷

সব কারখানা মেশিনগুলোর দূরত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি৷ তবে মালিকরা বলেছে কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসার দায়িত্ব নেবেন৷’ তিনি আরো জানান,‘এরইমধ্যে দুইজন পোশাক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন৷ উচিত ছিলো সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর কারখানায় প্রবেশ করানো৷ এখনো সব মিলিয়ে প্রায় তিনশ কারখানায় শ্রমিকরা মার্চ মাসের বেতনই পাননি৷

এরমধ্যে দেড়শ কারখানায় কোনো বেতনই দেয়া হয়নি৷ আর দেড়শ কারাখানায় বেতনের অর্ধেক দেয়া হয়েছে৷ বৃহস্পতিবারও কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন৷ আর শ্রমিকদের নানাভাবে কাজে যোগ দেয়ার নোটিশ দেয়া হচ্ছে৷’

পোশাক কারখানার কত ক্ষতি গত তিন মাসে পোশাক কারখানার সব মিলিয়ে ৬০ ভাগের মত অর্ডার বাতিল হয়েছে৷ যার পরিমাণ তিন বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি৷ তবে এটাকে পুরোপুরি বাতিল বলা যাবে না৷ বিজিএমইএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরশাদ জামাল দিপু জানান,‘৩০ ভাগের মত অর্ডার বাতিল হয়েছে৷

আরো ২৫ থেকে ৩০ ভাগের মত অর্ডার হোল্ড আছে৷ অর্ডার হোল্ড, বাতিল, বিলম্ব সব মিলিয়ে ৬০ ভাগ হবে৷’ তিনি বলেন,‘মাসে দুই থেকে আড়াই বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়৷ সেই হিসেবে তিন মাসে সাত বিলিয়ন ডলার বা কিছুৃ বেশি অর্ডার ছিলো৷’ তবে এই সব অর্ডার শেষ পর্যন্ত বাতিল হবে না৷ অর্ডার ফিরে আসছে৷

আবার কিছু অর্ডার হয়তো পরের বছর অ্যাডজাষ্ট হবে৷ সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত ২৫ ভাগ অর্ডার চূড়ান্তভাবে বাতিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিজিএমইএর এই সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট৷ তিনি বলেন,‘ক্রেতারা তো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি৷ ইউরোপে ৬২ ভাগ দোকান বন্ধ৷ কিন্তু চীনে খুলছে৷ আরো কিছু কিছু দেশে ক্রেতারা তাদের ব্যবসা খুলতে শুরু করেছে৷

ফলে ক্যান্সেল বা স্থগিত হওয়া অর্ডার আবার ফিরে আসছে৷ সুইডেনতো বলেই দিয়েছে অর্ডারের টাকা আমাদের দিয়ে দেবে৷’ ‘আমরা আশা করছি পোশাক খাতের এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারব৷ তবে এজন্য করোনা টেস্টিংটা দ্রুত হওয়া প্রয়োজন৷ আমরা চাই র‌্যাপিড টেস্টিং৷ তবে শুনছি মে মাসে নাকি করোনা আরো বেড়ে যাবে৷ তাই ভয়ও হয়,’ বলেন আরশাদ জামাল দিপু৷

বিজিএমইএ জানায়, এখন পর্যন্ত অর্ডারের ৩.১৫ বিলিয়ন ডলার পাওয়া গেছে ক্রেতাদের কাছ থেকে৷ যারা অর্ডার ক্যান্সেল করেছে তাদের কেউ কেউ ১৮০ দিন পরে পেমেন্ট করার কথা বলছে৷ কিন্তু কাঁচামালের দায় কে নেবে?

বাংলাদেশের পোশাক খাতে এখনো নতুন অর্ডার আসা শুরু হয়নি৷ মোটামুটিভাবে দেড় মাসের অর্ডার জমে আছে৷ যেগুলো না দিলেই নয় সেগুলো এখন সীমিত পরিসরে তৈরি করে দেয়া হচ্ছে বলে জানায় বিজিএমইএ৷

সূত্র : ডয়চে ভেলে

সর্বশেষ নিউজ