১৩, জুন, ২০২১, রোববার

‘গণতন্ত্র উদ্ধারে’ সহায়তা চেয়ে থাই জান্তার কাছে মিয়ানমার সেনা শাসকের চিঠি

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রেয়ুথ চান-ওচা বলেছেন, মিয়ানমারের নতুন জান্তা শাসকের কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছি, যাতে দেশটির গণতন্ত্র উদ্ধারে আমার সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

প্রায়ুথ চান-ওচা ২০১৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার বোন ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে উৎখাত করে থাইল্যান্ডের ক্ষমতা দখল করেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনেও জয়ী হয় প্রায়ুথের নেতৃত্বাধীন সেনা সমর্থিত সরকার। দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ পুরোপুরি তার সামরিক জান্তার অধীন।

অন্যদিকে মিয়ানমারে গত ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে জান্তা সরকার। তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বনেতারা এর নিন্দায় সরব হলেও ভিন্ন কথা বলেন থাই প্রধানমন্ত্রী। অভ্যুত্থানকে মিয়ানমারের ‘অভ্যন্তরীণ’ বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।

বুধবার প্রায়ুথ বলেন, তার সরকার মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে। তবে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সুসম্পর্ক বজায় রাখা। কারণ এটি জনগণ, অর্থনীতি, সীমান্ত বাণিজ্যকে প্রভাবিত করে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমারে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজপথে নেমে আসছে হাজার হাজার মানুষ। থাইল্যান্ডের জান্তা সরকারকেও গত বছর বড় ধরনের বিক্ষোভ সামাল দিতে হয়েছিল। এমন বাস্তবতায় ক্ষমতা দখলের পর থাইল্যান্ডের সহায়তা চেয়েছে বার্মার সেনা সরকার।

উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের মধ্যে বৈরিতার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ক্রমেই বেড়েছে।

সূত্র: রয়টার্স।

সর্বশেষ নিউজ