trusted binary options signals robot crypto trading binary options and fortex trading perl crypto trading bot best time to invest in bitcoin in 2018 rebel spirit binary options usaa trading platform bitcoin cloud mining no investment which trading platform is the best can you really make money wit binary options bitcoin cash awful garbage for exchange trading site www.reddit.com legit binary options trading brokers binary options trade calculator how to trade binary options successfully paradigm crypto trading bitcoin trading closing time best trading platform for stocks 2018\ invest in bitcoin with paypal iq option-binary option robot apk bitcoin trading regulated 60s binary options 365trading binary options make a lot of money with binary options advantages of investing in bitcoin fbi trading platform standby letter of credit bitcoin trading platform deutsch how pairs trading works in crypto appi option binary best bitcoin auto trading app can you still invest in bitcoin binary option forex trading brokers ibm fair x crypto trading platform bitcoin trading bot profit fixed income trading platform 20 000 bitcoin investment binary options mawayre russian binary options indicator lots for mt4 bitcoin trading best bitcoin trading signals cryptocorrency trading platform bitcoin trading llc tradeking trading platform best trading platform for advanced tradders how to earn money with bitcoin trading bitcoin trading the ultimate guide crypto trading platform no fees us blocked bitcoin trading site delta of strike binary option how to trade forex binary options option builder binary swiss bank binary options binary options trading archives franco binary options signals sinhala advent trading platform blackoption binary options without investments binary option traders wealth day trading on bitcoin is investing in bitcoin considered income binary options binary promo code trading platform in the u.s. that allows you to buy foreign stocks
১৪, এপ্রিল, ২০২১, বুধবার

গাছে বেঁধে মাদরাসার ছাত্রকে নির্যাতন

গাছে বেঁধে মাদরাসার ছাত্রকে নির্যাতন দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মো. মিনহাজ (১৫) নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ঘোড়াবান্দ কেরানীপাড়ার মো. ছইদুল ইসলামের ছেলে মো. মিনহাজ (১৫) দিনাজপুর জেলা সদরে অবস্থিত ফরিদপুর গোরস্তান মাদরাসায় নাজেরা ক্লাসের ছাত্র। করোনা মহামারির কারণে মাদরাসা বন্ধ থাকায় সে বাড়িতে অবস্থান করছিল। প্রতিবেশী মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী রমেনা বেগম, মেয়ে পাল্টাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আফরোজা খাতুন (১০) এবং ছেলে একই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র রুহান ইসলামকে (৮) আরবি পড়াত সে।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় আরবি পড়াতে যায় মিনহাজ। তখন আবু সিদ্দিকের পরিবারের সদস্যরা তার মেয়ে আফরোজা খাতুনকে শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগে মিনহাজকে মারধর শুরু করে। সে সময় আত্মরক্ষার্থে পালিয়ে যায় মিনহাজ। আত্মগোপনের থাকা মিনহাজকে দুপুর ১টায় বাড়ি থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে তার নানার বাড়ি নাটুয়াপাড়া থেকে ধরে আনা হয়।

এরপর মো. আবু বক্কর সিদ্দিক তার বাড়ির সামনে সুপারি গাছে মিনহাজকে বেঁধে ফেলেন। শুরু করেন মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। এমন সময় মিনহাজকে উদ্ধার করতে আসা পরিবারের লোকজনের ওপরও হামলা চালানো হয়। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় পরিবারের লোকজন মিনহাজকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

এ ব্যাপারে মিনহাজ জানায়, দীর্ঘ ছয় মাস ধরে ওই পরিবারে আরবি পড়িয়ে আসছে সে। এ পর্যন্ত এক মাসে বেতন পেয়েছে। ঘটনার দিন আফরোজা খাতুন পড়া ভুল করলে তাকে দুটি মার দেই। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মার দেয় এবং আমার সাথে তর্কে জড়িয়ে যায়। পরে সে কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি তার মাকে গিয়ে বলে। পরে পরিবাবের লোকজন এসে আমাকে মারধর শুরু করে। আমি পালিয়ে গিয়ে আত্মরক্ষা করি। পরে দুপুরে আমাকে আবার ধরে নিয়ে এসে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী রমেনা বেগম জানান, আরবি পড়ার একপর্যায়ে আমি বাড়ির বাইরে যাই। তখন মিনহাজ আমার মেয়েকে আরবি বই শপথ করিয়ে না বলার শর্তে টিউবল পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে সে শরীরের কাপড় খোলার চেষ্টা এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। মেয়ের চিৎকারে আমরা ছুটে এলে সে পালিয়ে যায়। পরে তাকে আটক করে শাসন করেছি। তাকে পুলিশে না দিয়ে নিজে শাসন করা ভুল হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

মিহাজের বাবা মো. ছইদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে আমি বৃহস্পতিবার বীরগঞ্জ থানায় হবিবর রহমানের ছেলে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৫) তার স্ত্রী রমেনা বেগম (৪০) এবং মো. রমজান আলীর ছেলে ও আবু বক্কর সিদ্দিকের শ্যালক মো. আশরাফুল ইসলামতে (২৫) আসামি করে মামলা করেছি। এখন আসামি পরিবারের লোকজন আমার ছেলে ও আমার পরিবারসহ যারা ভিডিও করেছে তাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে আসছে। আমি পেশায় কৃষি শ্রমিক। আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্টে জীবন চলে। মা মরা ছেলেকে নির্মমভাবে গাছে বেঁধে মেরেছে। আমি ছেলের নির্যাতনে অভিযুক্তদের বিচার দাবি করছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের এসআই আলন চন্দ্র রায় জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্যাতনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. আবু বক্কর (৪৫) ও মো. আশরাফুল ইসলামকে (২৫) গ্রেফতার করেছে। পুলিশ।

বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মতিন প্রধান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে মিহাজের বাবা মো. ছইদুল ইসলাম বাদী হয়ে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৫), তার স্ত্রী রমেনা বেগম (৪০) এবং মো. রমজান আলীর ছেলে ও আবু বক্কর সিদ্দিকের শ্যালক মো. আশরাফুল ইসলামকে (২৫) আসামি করে মামলা করেছে। মামলার তদন্ত চলছে। মামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত শাস্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ নিউজ