২২, সেপ্টেম্বর, ২০২১, বুধবার

ঘোড়াঘাটে মগলিশপুরের মামা শিশু(৪) ভাগ্নিকে করেছে ধর্ষণ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার মগলিশপুর গ্রামের লুচ্চা মামা লাল মিয়ার (৫০)কান্ড,আপন শিশু (৪)ভাগ্নিকে করেছে ধর্ষন। গ্রামবাসী ওই লুচ্চা মামা লাল মিয়াকে আটক করে পুলিশে দিলে শিশুটির চাচা বাদি হয়ে যৌন হয়রানির একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ লুচ্চা মামা লাল মিয়াকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মগলিশপুর পূর্ব পাড়ায়। ধর্ষক লুচ্চা মামা মোঃ লাল মিয়া মগলিশপুর পূর্ব পাড়ার মৃত নয়া মিয়ার ছেলে। ঘোড়াঘাট থানা ও গ্রামবাষী সুত্রে জানা গেছে, ।

ঘোড়াঘাট বিরাহিমপুর গুচ্ছ গ্রামে বসবাসরত চাঁন মিয়া তার সাড়ে তিন বছরের শিশু কন্যকে নানার বাড়ি মগলিশপুরে রেখে গার্মেন্টসে চাকুরী করার সুবাদে ঢাকায় চলে যান।।প্রতিদিনের ন্যায় শিশুটি রবিবার বিকেলে বাড়ির পাশে শরিষা ক্ষেতে খেলতে গেলে, শিশুটির আপন মামা একা পেয়ে তাকে কোলে তুলে আদর করার পর পরণের কাপড় খুলে তার যৌনাঙ্গে আঙ্গুল দেয়। শিশুটি ব্যাথা পাওয়া কারণে কান্নাকাটি করলে লুচ্চা লাল মিয়া চড় থাপ্পর দেয়।এ সময় শিশুটি আরও বেশী কান্নাকাটি করলে তাকে ছেড়ে দেয়।

পরে শিশুটি কান্না করতে করতে তার নানির কাছে গেলে তার নানি কান্নার কারণে জানতে চাইলে তার মামার উক্ত ঘটনার কথা জানায় এবং তার নিচের দিকে ব্যাথা করছে জানালে তার নানি কোলে তুলে নিয়ে দেখে যে শিশুটির পরনের কাপড় রক্তে ভিজে গেছে। যৌনাঙ্গ দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে দেখে ঘটনাটি পাশের বাড়র লোক জনকে জানায়। লোকজন উত্তেজিত হয়ে লুচ্চা মামা লাল মিয়াকে ধরে নিয়ে আসলে সে ঘটনার সত্যতা শিকার করে। পরে শিশুটির চাচা মীর হোসেন বাদি হয়ে লাল মিয়াকে আসামী করে একটি যৌন হয়রানীর মামলা দায়ের করেন।

ঘোড়াঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ আজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,উক্ত ঘটনা অবহিত হওয়ার পর আমি আমার অফিসার ও ফোর্সকে পাঠিয়ে দিয়ে আসামীকে আটক করি।আটক আসামী ঘটনার সত্যতা শিকার করে এবং শিশুটির চাচা বাদি হয়ে যৌন হয়রানির একটি মামলা রুজু করেছে এবং আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।সেই সাথে আলামত হিসেবে শিশুটির পরণের রক্ত ভিজা কাপড় জব্দ করা হয়েছে।

সর্বশেষ নিউজ