২০, জানুয়ারী, ২০২২, বৃহস্পতিবার

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারধর ও নিরাপত্ত্বাহীনতায় একটি পরিবার

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারধরের স্বীকার হয়েছে একটি পরিবার। নিরাপত্ত্বাহীনতায় রয়েছে তারা। দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচারিত হয়ে উপায় না পেয়ে শারীরিক নির্যাতনের পর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিলে বিরোধী পক্ষ আদালতের মাধ্যমে জেল খেটে এসে আবার হুমকী ধামকি দিচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চিত্রকোট ইউনিয়নের গিরিনগর গ্রামে।

শুক্রবার ১৪ জানুয়ারি বেলা ১২ টার দিকে সিরাজদিখান প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে গিরিনগর গ্রামের আক্কাস উদ্দিন মোল্লার ছেলে ভুক্তভাগী আব্বাস উদ্দিন রাশেদ লিখিত বক্তব্য বলেন, জমি জমা নিয়ে গত ৫ বছর যাবৎ কিছু সন্ত্রাসী লোকের কারণে তারা অত্যাচারর স্বীকার হয়ে আসছেন। গত ৩১ ডিসেম্বর মিমাংশার কথা বলে, তখন শেখরনগর তদন্ত কেদ্রের উপ পুলিশ পরিদর্শক মাহমুদ মইনের সামনেই সস্ত্রাসী শফিকুল ইসলাম উজ্জল তার লোকবল নিয়ে হামলা চালায়।

এতে তার ভাই ও স্ত্রীসহ ৫ জন আহত হয়। এ সময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গসহ ঘটনাটি দেখেছেন সিংগাডেকের লিও মেম্বার, গিরিনগর গ্রামের হারুন অর রশীদ মোল্লা (সাবেক মেম্বার), গিরিনগর মসজিদ কমিটির সভাপতি ইকবাল মোল্লাসহ আরো অনেকে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন তাদের জমিন উজ্জল গংরা বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। বর্তমান তারা নিরাপত্ত্বাহীনতায় আছেন, শেখরনগর তদন্ত কেদ্রের পুলিশের সহযাগিতা পাচ্ছেন না।
সংবাদ সম্মেলন রাশেদের সাথে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা লাবু, রাশেদের স্ত্রী আশা আহম্মেদ, চাচাত ভাই শামিম মোল্লা ও তার স্ত্রী মটর আক্তার।

এ বিষয় শহিদুল ইসলাম উজ্জল জানান, আব্বাস উদ্দিন রাশেদ যা বলেছে তা মিথ্যা এবং তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানী করছে। ৩১ ডিসেম্বর হাতা-হাতি উভয় পক্ষের হয়েছে সেখান পুলিশ ও স্থানীয় মেম্বারসহ গন্যমান্যরা উপস্থিত ছিলো। ইউপি চেয়ারম্যান সাহেব বিষয়টি জানেন তার সাথে কথা বলেলও আপনারা জানতে পারবেন।

পুলিশ উপ-পরিদর্শক মাহমুদ মইন জানান, আমরা মিমাংশার কথা জানিনা, আমরা তদন্তে গিয়ছিলাম সেখান উভয় পক্ষ হাতা-হাতি করেছে। এটা একটা ছোট খাটো মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এর বেশি জানিনা।

মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদ মোল্লা (সাবেক মেম্বার) তিনি জানান, তারা সবাই একই বংশের, সেদিন বাড়ির সামেন ইট বালু রাখাকে কেদ্র করে তুচ্ছ ঘটনায় উভয় পক্ষের হাতা-হাতি হয়। আমি কয়েকবার মিল করতে চেয়ছি, রাশেদ মানে নাই। বর্তমান চেয়ারম্যানকে বলেছি মিমাংশা করতে। তাছাড়া রাশেদদের দাদার ১৮ শতাংশ জমিন তারা আগই বুঝে নিয়েছে।

চিত্রকোট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল হুদা বাবুল বলেন, পুলিশের সামনে মারামারি হলে নিরাপত্ত্বহীনতা বলতে পারে। তারা উভয় আত্বীয়-স্বজন, হাতাহাতিতে শামিমরা বেশি ইন্জুরি হয়েছিলা। জমির বিরোধ মিটাতে আমি উভয়কে বলেছিলাম পারিবারিক ভাবে মিমাংশা হয়ে যেতে। এখন তারা মিমাংশা করতে না পারলে, উভয় পক্ষ যদি আমাকে মানে তাহলে মিমাংশা করবো।

সর্বশেষ নিউজ