৫, জুলাই, ২০২২, মঙ্গলবার

জীবনে একটা সিগারেটও খাইনি, এমনকি একটা টানও দেইনি: তথ্যমন্ত্রী

রাজনৈতিকভাবে সময়ের সেরা আ’লোচিত নাম আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তিনি। ফের খবরের শিরোনাম হলেন এই রাজনীতিবিদ।

নতুন খবর হচ্ছে, সুস্থ জাতি গঠনে তামাক ও মা’দকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ একান্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘আমি জীবনে একটি সিগারেটও খাইনি, এমনকি একটি টানও দেইনি। আজকে বাংলাদেশে ধূমপানের বি’রুদ্ধে সামাজিক ক্যাম্পেইন ও সরকারের আইন প্রণয়নের কারণে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ধূমপায়ীর মোট সংখ্যা বেশি না কমলেও আনুপাতিক হারে অনেক কমেছে।’

বুধবার (১৬ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে ল রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অ’তিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, ‘জনসংখ্যার মাত্র ৩৫ শতাংশ ধূমপানের সঙ্গে যু’ক্ত, এটি একসময় ৭০ শতাংশের ওপরে ছিল। এটি খুব ভালো দিক। সরকারও এ বিষয়ে আইন করার ফলে আগের মতো প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান হয় না। বিমানে, বাসে এবং অনেক অফিসেও যেকোনও জায়গায় ধূমপান নিষিদ্ধ।’

সাংবাদিক ফোরামগুলো এরকম সামাজিক জনসচেতনতা তৈরিতে এগিয়ে এলে সমাজ উপকৃত হবে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০৪০ সাল নাগাদ দেশকে ধূমপানমুক্ত করার জন্য তামাকবিরোধী আ’ন্দোলনকে আরও বেগবান করা প্রয়োজন।

একইসঙ্গে যদি আইনের সংস্কার প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রেও আমাদেরকে চিন্তাভাবনা করতে হবে। সুস্থ জাতি গড়ে তুলতে ধূমপান এবং মা’দকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

কারণ, একজন ধূমপায়ী যেমন তিলে তিলে নিজেকে ধ্বংস করে, একজন মা’দকাসক্ত পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে। সুতরাং, এই ক্যাম্পেইনকে আরও জো’রদার করা প্রয়োজন।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘এছাড়া, এখনকার আধুনিক আসক্তি হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আসক্তি। আম’রা যারা রাজনীতি করি, তাদের সঙ্গে সবাই ছবি তুলতে চায়, ছবির উদ্দেশ্য হচ্ছে এটি ফেইসবুকে দেবে। আমি মনে করি, এই সমস্ত বিষয় নিয়েও ক্যাম্পেইন হওয়া প্রয়োজন।’

এসময় সাংবাদিকতার উৎকর্ষ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শুধুমাত্র দায়িত্বশীল বা ক্ষমতায় যারা আছে, তাদের সমালোচনা নয়, সবার সমালোচনা হতে হবে। বিত্ত যখন রাষ্ট্রকে চোখ রাঙ্গায় বা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গু’লি দেখায়, সেই বিত্ত তখন দুর্বৃত্ত হয়ে যায়। সেটির বি’রুদ্ধেও লিখতে হবে।’

সর্বশেষ নিউজ