৩, ডিসেম্বর, ২০২১, শুক্রবার

জেরুসালেমে ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলমান ধর্মের প্রতিনিধিত্ব চান এরদোগান

গত ১০ই মে ইসরাইল গাজায় হামলা শুরু করার পর থেকে শিশু সহ কমপক্ষে ২১২ জন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হামাস ইহুদিবাদি ইসরায়েল বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান ফিলিস্তিনের জেরুসালেম শাসনে ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলমান- তিন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের যৌথ কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেছেন। সোমবার আঙ্কারায় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এক ভাষণে তিনি এই প্রস্তাব দেন।

ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি জেরুসালেম শাসনে ভিন্ন ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। জেরুসালেমে স্থায়ী শান্তি ও স্বস্তির অর্জনে, যা মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টানের কাছে চরম ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করে, সব পক্ষকেই ছাড় দিতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সঠিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধান হবে তিন ধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত কমিশনের অধীনে জেরুসালেম শাসনের ভার তুলে দেয়া। অন্যথায় ধারণা করা যাচ্ছে না, প্রাচীন এই শহরে স্থায়ী শান্তি সহজেই প্রতিষ্ঠিত হবে।’

ভাষণে ইসরাইলকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ হিসেবে উল্লেখ করে এরদোগান জেরুসালেমে সহিংসতা ও গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বোমা হামলার সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এক হাতে জেরুসালেমের স্থিতিশীলতায় হস্তক্ষেপ করছে, অপরদিকে গাজায় বেসামরিক মানুষের ওপর নির্দয়ভাবে বোমাবর্ষণ করছে এবং সংবাদমাধ্যমের অফিসযুক্ত ভবন গুড়িয়ে দিচ্ছে।’

এরদোগান বলেন, জেরুসালেম ও গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডে যারা সমর্থন দিয়েছেন, তারা ইতিহাসের পাতায় শিশু হত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের সহযোগী হিসেবে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন।

সূত্র : এনিউজ

সর্বশেষ নিউজ