২৪, অক্টোবর, ২০২১, রোববার

দিল্লি-ইসলামাবাদের উচিত অতীত ভুলে এগিয়ে যাওয়া

অতীত ভুলে উপমহাদেশে শান্তি স্থাপনের সওয়াল করলেন পাক সেনা প্রধান। পড়শি দেশের পদাতিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল কামার বাজওয়া জানিয়েছেন, অতীতের বৈরিতা ভুলে সুসম্পর্ক স্থাপনে এগিয়ে আসুক দিল্লি-ইসলামাবাদ। ইসলামাবাদ নিরাপত্তা আলোচনা চক্রে অংশ নিয়ে বাজওয়া বলেন, ‘দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়ার সঙ্গে পূর্ব-পশ্চিম এশিয়ার সংযোগ স্থাপনে ভারত-পাকিস্তানের মিত্রতা বাড়ানো উচিত।‘

বৃহস্পতিবার তিনি ইসলামাবাদ নিরাপত্তা সংলাপে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, স্থিতিশীল ভারত-পাক সম্পর্ক পূর্ব ও পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করবে, যা দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার সম্ভাবনা উন্মোচনের চাবিকাঠি।

তিনি বলেন, কাশ্মীর ইস্যু অবশ্যই বিতর্কের কেন্দ্রে। এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে শান্তিপূর্ণ উপায়ে কাশ্মীর বিরোধ নিষ্পত্তি ছাড়া কোনো উপায় নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিবেশীকে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে, বিশেষ করে অধিকৃত কাশ্মীরে।

গত মাসে ভারত বলেছে, তারা সন্ত্রাস, শত্রুতা এবং সহিংসতা মুক্ত পরিবেশে পাকিস্তানের সাথে স্বাভাবিক প্রতিবেশী সম্পর্ক চায়।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছিলেন, পাকিস্তান শান্তি আনার চেষ্টা করছে, কিন্তু সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারতকে প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে।

শীতল যুদ্ধের রেফারেন্স টেনে জেনারেল বাজওয়া বলেন, বিভিন্ন শক্তি কেন্দ্রের মধ্যে সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত আরেকটি মীতল যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাবে এবং দক্ষিণ এশিয়ার এই অস্থির বিষয়গুলোই পুরো অঞ্চলকে দারিদ্র্য এবং উন্নয়নের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও আমরা প্রতিরক্ষা খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করি, যা স্বাভাবিকভাবেই মানব উন্নয়নের খরচ করতে পারতাম।

যাই হোক, তিনি যোগ করেন যে পাকিস্তান ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও অস্ত্র প্রতিযোগিতার অংশ হতে বা প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধির প্রলোভন প্রতিরোধ করছে।

২০১৬ সালে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী দলগুলো ভারতের পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়।

সর্বশেষ নিউজ