৭, ডিসেম্বর, ২০২১, মঙ্গলবার

দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষায় থাকতে বললো স্বাস্থ্য অধিদফতর

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কার্যক্রম গতি হারিয়েছে। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী সব টিকা না আসায় প্রায় ১৫ লাখের মতো মানুষের টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাওয়া নিয়ে সংকট রয়েছে। এ অবস্থায় দ্বিতীয় ডোজ প্রত্যাশীদের অপেক্ষা এবং ধৈর্য ধারণ করতে অনুরোধ করেছে স্বাস্থ্য অধিফতর।

বুধবার (২৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাপ্তাহিক বুলেটিনে এই অনুরোধ করেন অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

দেশে কোভিড সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করা হয়। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে প্রস্তুত করা কোভিশিল্ড নামে পরিচিত এই ভ্যাকসিন ৮ এপ্রিল থেকে শুরু করা হয় ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ। তবে সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে সরবরাহ করতে না পারায় বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় ১৫ লাখ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

সরবরাহ না থাকায় যারা সময় মতন দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে পারছেন না তাদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক ডা. নাজমুল বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, ধৈর্য ধারণ করুন। ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়ার সুযোগ থাকবে। এর মধ্যেই সরকার সর্বোচ্চ পর্যায়ে চেষ্টা করছে ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য। আমরা আশাবাদী, এই ভ্যাকসিন সংগ্রহ হবে এবং দ্বিতীয় ডোজ সবাই পেয়ে যাবেন।’

তিনি বলেন, ‘অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ একেবারেই শেষ পর্যায়ে। দ্বিতীয় ডোজের যে পরিমাণ ভ্যাকসিন রয়েছে তা দিয়ে প্রথম ডোজ নেওয়া সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘চীন থেকে উপহার হিসেবে আসা সিনোফার্মার পাঁচ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন মঙ্গলবার (২৫ মে) ৫০১ জন মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে। তাদের কারও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি। আগামী ৭ থেকে ১০ দিন তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।’

এরপর জুন থেকে জুলাই মাসের মধ্যে সিনোফার্মার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম।

সর্বশেষ নিউজ