১৭, সেপ্টেম্বর, ২০২১, শুক্রবার

নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৫২ মিনিট আগে বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালান পি কে হালদার

তিনটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ থাকা ব্যাংকার পি কে হালদার বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহার করেছেন বলে আদালতে জানিয়েছে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ -এসবির ইমিগ্রেশন শাখা।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিকেল ৩টা ৩৮ মিনিটে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে চলে যান পি কে হালদার।

২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিদেশগমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়, যা ইমিগ্রেশন পুলিশ পায় ২৩ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টায়। তার আগেই সে পালিয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘পি কে হালদারের দুটি পাসপোর্ট। একটি বাংলাদেশের আর অপরটি কানাডার। বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করেই তিনি ভারতে পালিয়ে যান।’

পি কে হালদারের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রশ্ন তুলেছিলেন হাইকোর্ট। আদালতের প্রশ্নের জবাবে এসবির ইমিগ্রেশন শাখা থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

পি কে হালদার এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। পরে এই দুই পদ থেকে তাকে অপসারণ করা হয়।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কীভাবে পি কে হালদার দেশ ত্যাগ করেছেন তা জানতে হাইকোর্ট আদেশ দিয়েছিল।

রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী বলেন, ‘ইমিগ্রেশন পুলিশ আমাদের জানিয়েছেন, ২৩ অক্টোবর চিঠি পাওয়ার পর তারা অফিশিয়াল কাজ শেষ করে বিকাল সাড়ে ৫টার মধ্যে দেশের সব বিমানবন্দর, স্থলবন্দরে তার কপি পাঠিয়ে দেন, যাতে পিকে হালদার দেশত্যাগ করতে না পারেন।’

তিনি বলেন, এছাড়া দুদকের চিঠিতে পি কে হালদারের পাসপোর্টের নম্বর দেয়া ছিল না। শুধু নাম দেয়া ছিল। ইমিগ্রেশন ‘সেই বাইনেমেই’ তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

সর্বশেষ নিউজ