nasdaq binary options controversy first bitcoin trading app in india can i lose more than i invest in bitcoin free books on binary options trading changelly trading platform live trading stochastics bitcoin indicators investment option like bitcoin crypto trading mathematics go markets binary options review bitcoin trading chart widget binary options mifid ii heymeyer crypto trading bitcoin vale a pena investir 2020 bitcoin euro investing difference between spread betting and binary options bitcoin invest club monitor class on bitcoin trading elecronic trading platform of gazprombank trading platform for u.s. residents how to invest roth ira in bitcoin trading bitcoin tags instagram best social trading platform bitcoin trading index top 5 binary option non binary genital options how to use a stock trading platform bitcoin investment trust traded citadel bitcoin trading binary options strategies for safe predictions invest just in bitcoin and ether backtest bitcoin trading strategy easy screen trading platform free binary options simulator option trading book best way to invest in bitcoin right now best crypto trading conferences 2019 bitcoin trading vivew masterluc top binary options sites coinbase pro bitcoin trading explained binary options books automated no fee crypto trading bitcoin investment type turbotax binary option menurut hukum islam bitcoin futures trading data bitcoin trading in kuwait trading platform for any asset what does your win/lose ratio have to be in binary options in order to come out ahead joint venture group binary options crypto trading spreadsheet ig crypto trading making money with binary options trading bitcoin trading robinhood worth it anomaly detection bitcoin trading charles schwa online trading platform bitcoin trading right now jump trading bitcoin binary option trading in pakistan best crypto trading fees dircord bitcoin trading fractal trading binary options
৬, মে, ২০২১, বৃহস্পতিবার

প্রজ্ঞাপন জারি, ১৪-২১ এপ্রিল সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি মোকাবিলায় সরকার সারা দেশে আরও ৭ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে ১৪ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

সোমবার (১২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

বিধিনিষেধগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. সব সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ৭ দিনের লকডাউন গতকাল রবিবার শেষ হলেও ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন শুরু আগে মাঝের দুদিন ১২ ও ১৩ এপ্রিলও চলমান কঠোর নিধেধাজ্ঞার বলতৎ থাকবে বলে গতকালই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

গত শুক্রবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছিলেন, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ থাকবে। কোনও যানবাহনের চাকা ঘুরবে না। পোশাকসহ সকল শিল্প কারখানা বন্ধ থাকতে পারে।

ওইদিনই সকালে ওবায়দুল কাদের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, দেশে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। সঙ্গে বাড়ছে জনগণের অবহেলা ও উদাসীনতা। এমতাবস্থায় জনস্বার্থে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের বিষয়ে সক্রিয় চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।’ চলমান এক সপ্তাহের লকডাউনে জনগণের উদাসীন মানসিকতার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গত ৪ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে ৫ এপ্রিল থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। তবে সবখানেই লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা দেখা যায়।

দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যু বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতির মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে গত ২৯ মার্চ ১৮ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়। ৩১ মার্চ থেকে গণপরিবহনে ৫০ শতাংশ যাত্রী পরিবহন শুরু হয়। ১ এপ্রিল থেকে নৌপথেও অর্ধেক যাত্রী পবিবহন কার্যকর হয়। অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার নির্দেশনা কার্যকরে গণপরিবহনে ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়।

সংক্রমণ মোকাবিলায় গত ৩ এপ্রিল সারা দেশে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর পরদিনই প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে এটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হয়। ওইদিনই অপর এক ঘোষণায় কাদের জানান, এক সপ্তাহ লকডাউন শুরু প্রথম দিন অর্থাৎ সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তবে চরম জনভোগান্তি ও জনদাবির মুখে লকডাউন শুরুর তৃতীয় দিন ৭ এপ্রিল থেকে দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গেল বছর ২৩ মার্চ প্রথমবার ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। শুরুতে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ দিন ‘ছুটি’ ঘোষণা করা হলেও পরে দফায় দফায় সেই মেয়াদ মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেসময় সব অফিস-আদালত, কল-কারখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ছুটির মধ্যে সবকিছু বন্ধ থাকায় সেই পরিস্থিতি ‘লকডাউন’ হিসেবে পরিচিতি পায়। গেল বছর টানা ৬৬ দিন চলে সেই সাধারণ ছুটি।

কিন্তু টানা সাধারণ ছুটির কারণে নিম্নবিত্তের জীবন-জীবিকা ও দেশের উৎপাদন ব্যবস্থা অস্তিত্ব সংকটে পড়লে বিভিন্ন মহলের দাবির মুখে সরকার ৩১ মে’র পর থেকে ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ শিথিল করতে থাকে। বছরের শেষে এসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া আর সবকিছুতেই কড়াকড়ি উঠে যায়।

চলতি বছরের শুরুতে করোনার সংক্রমণ অনেকটা কমে এলেও মার্চ মাসের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে আবারও বাড়তে থাকে। মাসের শেষ সপ্তাহ নাগাদ তা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। আর এপ্রিলের গত ১১ দিনে প্রতিদিনই আক্রান্ত ও মৃত্যু আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

সর্বশেষ নিউজ