৫, জুলাই, ২০২২, মঙ্গলবার

বনসাই প্রেমী দিনাজপুরের কৃতজ্ঞ রায়

মো: আজিজার রহমান,দিনাজপুর: মানুষের শখ বিচিত্র হয়। এ যেন এক বিচিত্র শখ সাফল্যের সম্ভাবনাও বেশি। কেউ শখ করে কাপড় বুনে, কেউ বা কাপড়ে ফুল তোলে, কেউ বা আবার বাঁশি বাজায়, অনেকে পাখি পুষে, কেউ আবার বাগান তৈরী করে। আবার কেউ শখের বশে বনসাইয়ের বাগান তৈরি করেন। তবে বনসাই কি অনেকেই জানেন না। বনসাইয়ের ইতিহাস বহু পুরনো। ধারণা করা হয় প্রায় ২০০০
বছর পূর্বে চীনে এর শুরু। পরবর্তী সময়ে জাপানে বনসাই বিস্তৃতি লাভ করে।

বনসাই শব্দটি জাপানি। বন শব্দের অর্থ ছোট পাত্র এবং সাই শব্দের অর্থ গাছ। অর্থাৎ বনসাই মানে দাঁড়াচ্ছে, ছোট পাত্রে গাছ। বনসাই মূলত ছোট পাত্রে বিশেষ পদ্ধতিতে লাগানো একটি গাছ। শখ মানুষের জীবনে আনন্দ ও ভালোবাসার খোরাক যোগায়। তেমনিভাবে দিনাজপুরে রয়েছেন একজন বনসাই প্রেমী। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের কালিপদ রায়ের ছেলে কৃতজ্ঞ রায়। দিনাজপুর সরকারী কলেজের গণিত (মাস্টার্স) বিভাগের ছাত্র। শখ, প্রচেষ্টা, ইচ্ছা শক্তি মানুষকে কোথায় নিয়ে যায়। কৃতজ্ঞ নিজের হাত খরচার টাকা বাচিয়ে দিনাজপুর শহরের মির্জাপুরের দ্রোহ ছাত্রাবাসের ছাদে গড়ে তুলেছেন শতাধিক বনসাই গাছ। প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক সহযোগিতা পেলে বনসাইকে পরিপূর্ণরূপে দাঁড় করাতে পারবেন বলে বেশ আশাবাদী তিনি।

কৃতজ্ঞ বলেন, বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবেচনায় চাকরির সুযোগ খুবই প্রতিযোগিতাপূর্ণ। তাই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাথে সাথে অন্যান্য শিল্পের মধ্যে বনসাই শিল্পটি আমার বেশ ভাল লাগে কেননা এটি একটি জীবন্ত শিল্প। ব্যক্তি পরিকল্পনার কথা বলতে গেলে এই শিল্পের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল কারন এটার আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজার অনেক ভাল। আমার মতো শিক্ষিত যুব সমাজ এই শিল্পের গুরুত্ব বুঝলে দেশব্যাপী বিপুল সম্প্রসারণ ঘটানো সম্ভব বলে আমি মনে করি। আর অনুদান কথা বলতে গেলে আর্থিক ভাবে সরকারের অনুদান পেলে এই শিল্প আরো ভালো পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সরকারের অনুদান পেলে এই শিল্পকে সারা দেশের মানুষের কাছে একটি সুন্দর শিল্প উপহার দিব।

সর্বশেষ নিউজ