১৭, সেপ্টেম্বর, ২০২১, শুক্রবার

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন, প্রেমিক উধাও

মো: আজিজার রহমান, (খানসামা প্রতিনিধি) দিনাজপুরঃ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী পপি রানী রায় (১৯) স্ত্রীর অধিকার আদায়ে দাবিতে চার দিন তিন রাত ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে করছেন প্রেমিকা। পলাতক প্রেমিক।
গত (০১/০৮/২০২১) শনিবার দুপুর থেকে আজ (০৪/০৮/২০২১) বুধবার পর্যন্ত খানসামা উপজেলার ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নের ৩নং ওয়াডের পুর্ব হাসিমপুর গ্রামের বানিয়া পাড়ায় স্ত্রীর অধিকার আদায়ে কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী পপি রানী রায় অনশন করছেন।

স্ত্রীর অধিকার না পাওয়া পর্যন্ত প্রেমিকের বাড়িতে থাকবে বলে জানান। কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী একই ইউনিয়ন ও ওয়াডের মানিকগঞ্জ গ্রামের পূর্বহাসিমপুর গ্রামের শুশিল রায়ের সাবালিকা মেয়ে পপি রানী রায়। খবর শুনে দল বেঁধে আশপাশের লোকজন ওই সাবালিকা পপি রানী রায়কে এক নজর দেখতে ভীড় করছেন।

জানা গেছে, খানসামা উপজেলার ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নের ৩নং ওয়াডের পুর্ব হাসিমপুর গ্রামের বানিয়া পাড়ার জয়কান্ত রায়ের ছেলে ডালটন রায়ের (২৭) সঙ্গে পপি রানী রায়ের মানিকগঞ্জ মোটর সাইকেল মেকারের দোকানে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রায় ২ বছর থেকে তাদের প্রেমের সম্পর্ক চলছে।তাদের ফোনে প্রতিনিয়ত কথা হতো এবং ছেলেটি মেয়েটিকে বিয়ে করব করব বলে এভাবে তালবাহানা করে দিন কাটায়। মেয়েটির সাথে বিভিন্ন জায়গায় মেলামেশাও করে আসছিলো। কিন্তু গত কয়েক মাস আগে তারা দুজনে গোপনে দেখা করতে গেলে এলাকার লোকজন দেখে ফেলে এবং সেখান থেকে তারা দুজনে সরিয়ে পরে। তারপর বিষয়টি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে গেলে ছেলেটি মেয়েটিকে নানান কথা বলে এবং যেখানে প্রতিনিয়ত ফোনে কথা বলত, বিয়ের কথা বলত। কিন্তু ঘটনার পরদিন থেকে ছেলেটি তালবাহানা শুরু করে।ছেলেটি ফোন বন্ধ করে রাখে,ফোন ধরেনা,ফোন ধরলে বলে কে আপনি। এভাবে কয়েক মাস চলতে থাকলে মেয়েটি ক্ষিপ্ত হয় এবং নিজের ধৈর্য্য ধরে রাখতে না পেরে
ছেলেটিকে জানিয়ে ( ০১/০৮/২০২১) দুপুরে মেয়েটি ছেলে ডালটন রায়ের বাড়িতে উপস্থিত হয়।

প্রথমে উপস্থিত থাকলেও পরে একপর্যায়ে মেয়েটিকে রেখে ছেলেটি বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। তার সাথে ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সাবালিকা মেয়ে সেই দিন থেকে স্ত্রীর অধিকার আদায়ের জন্য নাবালক ছেলে ডালটন রায়ের বাড়িতে আজ বুধবার ৪র্থ দিন ধরে অনশন চলছে।
এবিষয়ে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ কামাল হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,ছেলে মেয়ের বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছি। তাদের কারো পক্ষ থেকে লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তাদের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ নিউজ