২৭, অক্টোবর, ২০২১, বুধবার

মোদীর পিছু পিছু এলো উপহারের ১২ লাখ ডোজ টিকা

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর ঢাকায় আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের উপহার হিসেবে দেয়া ক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১২ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌঁছেছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১২ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশকে উপহারস্বরূপ দিয়েছে ভারত সরকার।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিশেষ বিমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় এ টিকা।

ভারত সরকার এর আগেও বাংলাদেশকে ২০ লাখ ডোজ টিকা টিকা হিসেবে দিয়েছিল। গত ২১ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিয়ে সেই টিকা দেশে পৌঁছে।

অক্সেফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘কোভিশিল্ড’ নামের করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনটি বাজারজাত করছে ভারতের ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট।

উপহারের বাইরে গেল ৫ নভেম্বর ‘কোভিশিল্ড’ নামের ওই টিকার ৩ কোটি ডোজ কিনতে সেরামের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। এই ৩ কোটি ডোজ দেশের নাগরিকদের বিনামূল্যে প্রয়োগ করছে সরকার। গত ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর এ টিকা আমদানি ও জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়।

ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে ৬ মাসে ৩ কোটি ডোজ টিকা পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে বিশ্বজুড়ে টিকার বিপুল চাহিদায় সরবরাহ সংকটের মধ্যে গেল ২৫ জানুয়ারি প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ টিকা পায় বাংলাদেশ। ফেব্রুয়ারির চালানে আসে ২০ লাখ ডোজ টিকা। মার্চে কোনও চালান এখনও আসেনি। আর উপহার হিসেবে দুই দফায় ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশ পেলো ৩২ লাখ ডোজ টিকা।

ভারত থেকে টিকার প্রথম চালান আসার পর গত ৭ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে গণ টিকাদান শুরু হয়। প্রায় দেড় মাসে ৫০ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে।

টিকার চালান প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতপ্তরের কর্মকর্তা রোবেদ আমিন জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির চালানের বাকি ৩০ লাখ ডোজ ও মার্চের চালানের ৫০ লাখ ডোজ টিকা এখনও আসেনি। এই ৮০ লাখ ডোজ টিকার বিষয়ে এখনও কোনও ঘোষণা আসেনি।

সর্বশেষ নিউজ