২৫, এপ্রিল, ২০২১, রোববার

যেভাবে নিজের সৎ মাকে বিয়ে করেন মামুনুল হক

হেফাজত নেতা মামুনুল হক তার বাবার শেষ স্ত্রীকে অর্থাৎ তার সৎ মাকে বিয়ে করেছিলেন। কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ (মার্কসবাদী) এর সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ‘সিপিবিএম’ পত্রিকার সম্পাদক ডা. এম এ সামাদ ফেসবুক লাইভে এসে এমন তথ্য জানিয়েছেন। এবং এ কথার প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণও আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ফেসবুক লাইভে ডা. সামাদ বলেন, মামুনুল হকের সেই সৎ মা এবং পরবর্তীতে স্ত্রী, যার নাম ফারহানা। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। সেখান থেকে মামুনুলকে হককে গ্রেফতারের খবরে উতলা হয়ে বিভিন্ন ধরনের গুজব অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সেই সাথে উস্কানিও দিচ্ছেন মামুনুল হকের অনুসারীদের রাস্তায় নামা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের করার জন্য।

মামুনুল হকের বাবা স্বঘোষিত স্বাধীনতাবিরোধী শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের সঙ্গে ডা. সামাদ তার ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে সেই পরিচয় ও পারিবারিক সম্পর্কের সূত্রে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, মামুনুল হকের পিতার স্ত্রীর সংখ্যা অনেক, যাদের অনেকেই ছিলেন তার বাড়ির গৃহ পরিচারিকা। তাদেরকে একে একে বিয়ে করেন আজিজুল হক। এসব বিয়ের কোনও রেজিস্ট্রি বা কাবিন নেই। শুধুমাত্র মুখে কলেমা পড়ে বিয়ে এবং ‘ছেড়ে দিলাম’ বলে ডিভোর্স দেয়া হয়। এই স্ত্রীদের গর্ভে মোট সন্তানের সংখ্যা ১৪ জন।

ডা. সামাদ জানান, মামুনুল হক যাকে বিয়ে করেছেন সেই ফারহানা তার বাবা আজিজুল হকের শেষ বয়সে করা বিয়ের অতি অল্প বয়সী এক স্ত্রী। বয়সের বিস্তর ব্যবধানের কারণে এ নিয়ে মাদরাসায় ও ধর্মীয় অঙ্গনে বেশ রসালো আলাপ হতো। ১৯৯১ সালে এক আলোচনায় আজিজুল হক নিজে খোদ মহানবী (সা.) এর ৬ বছর বয়সী হযরত আয়েশা (রা.)-কে বিয়ের উদাহরণ দিয়ে নিজের বিয়ের বৈধতা দেন।

ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, এমনকি আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের সাথে এক আলোচনায় আজিজুল হক দেশের প্রচলিত আইনকে মুরতাদের আইন আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, বিয়ের সংখ্যা এবং বয়স নির্ধারণ করা এ মুরতাদদের আইন আমরা মানি না। বরং ১৩টি পর্যন্ত বিয়ের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন তিনি।

ডা. সামাজ জানান, মামুনুল হকের সেই সৎ মা এবং পরবর্তীতে স্ত্রী হওয়া নারী ফারহানা এখনও তার ফেসবুক প্রোফাইলে নিজেকে মামুনুল হকের এক্স (সাবেক) স্ত্রী হিসেবে পরিচয় বহন করছেন।

সর্বশেষ নিউজ