১৭, সেপ্টেম্বর, ২০২১, শুক্রবার

যে কোন সময় পালাতে পারে ইভ্যালি

গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালীর দেনার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০৩.৮০ কোটি টাকা, মাত্র ৬৫.১৭ কোটি টাকার চলতি সম্পদ দিয়ে কোন অবস্থাতেই কোম্পানিটি এই দায় পরিশোধ করার সক্ষমতা নেই বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ মার্চ, ২০২১ পর্যন্ত পণ্যমূল্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৩.৯৪ কোটি টাকা নিয়ে পণ্য সরবরাহ করেনি ইভ্যালী। অন্যদিকে, ইভ্যালী যেসব কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কিনে ওই সব মার্চেন্টদের কাছে কোম্পানিটির বকেয়া ১৮৯.৮৫ কোটি টাকা।

অর্থাৎ, ইভ্যালির সকল চলতি সম্পদ দিয়ে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের বকেয়া অর্থের মাত্র ১৬.১৪% পরিশোধ করা সম্ভব হবে এবং আরও ৩৩৮.৬২ কোটি টাকার সমপরিমাণ দায় অপরিশোধিত থেকে যাবে। ইভ্যালির চলতি সম্পদের স্থিতি দিয়ে শুধু গ্রাহক দায়ের এক-তৃতীয়াংশেরও কম পরিশোধ করা সম্ভব হবে।

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে প্র’তারণার অভিযোগে ই-কমার্স ওয়েবসাইট ইভ্যালির শাখার ম্যানেজারসহ তিনজনকে আ’টক করেছে প্রশাসন। এ সময় উ’দ্ধার করা হয় ৩৯ লাখ টাকা। সোমবার দুপুরে ইউএনও রুনা লায়লা অভি’যান চালিয়ে উপজেলার পারিল বাজারের ইভ্যালির কার্যালয় থেকে তাদের আট’ক করেন। আট’করা হলেন- ম্যানেজার বিপ্লব, ববিদুল ইসলাম ও জামাল।

ইউএনও রুনা লায়লা জানান, ইভ্যালির অফিসটির মাধ্যমে অ’ভিযু’ক্তরা গ্রাহককে বেশি মুনাফার প্রলো’ভন ও বিভিন্ন পণ্যের আকর্ষণীয় অফার দিতো। কিন্তু তারা সময়মতো গ্রাহককে পণ্য না দিয়ে বেশ কয়েকমাস ধরে প্র’তা’রণা করে আসছিল। এলাকাবাসীর অভি’যো’গের ভিত্তিতে তাদের আট’ক করা হয়েছে।

আট’করা জানান, ইভ্যালির নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অনলাইনে নানান ধরনের প্রো’ডাক্ট অর্ডার সরবরাহ করে। এর আড়ালে তারা অল্প দিনে অধিক মুনাফার প্রলো’ভন দেখিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়েছেন।

ইউএনও জানান, বিপুল পরিমাণ অর্থ লে’ন’দেন করলেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো ব্যাংক একাউন্ট নেই। তারা লেন’দেনের বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যম যেমন- বিকাশ, নগদ ইত্যাদি ব্যবহার করতো। আটকদের বি’রু’দ্ধে প্রচলিত আইনে মাম’লা করার প্রস্তুতি চলছে।-todaynewsbd.net

সর্বশেষ নিউজ