১, ডিসেম্বর, ২০২১, বুধবার

লকডাউনে সতর্ক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, থেমে নেই ব্যস্ততা!

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই দেশে চলছে কঠোর লকডাউন। সংক্রমণ রুখতে সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা থাকলেও তবু বের হচ্ছেন লোকজন। তবে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা সড়কে কঠোরভাবে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছেন। অনেক সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে যান চলাচল।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর প্রতিটি মোড় ও সড়কে থাকা ইউলুপের কাছাকাছি জায়গায় বসানো হয়েছে পুলিশের তল্লাশি চৌকি। দেওয়া হয়েছে ব্যারিকেড।

এদিকে সড়কে বের হওয়া ব্যক্তিরা যার যার প্রয়োজন দেখিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার জোর দাবি করছেন। তবে একদমই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এবং উপযুক্ত কারণ দেখানো গেলেই কেবল তাদের যেতে দেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়ির দিকে।

রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর, হাউজবিল্ডিং, আজমপুর, জসীমউদ্দীন ইউলুপ, বিমানবন্দর ইউলুপ, খিলক্ষেত, কুড়িল, বাড্ডা, রামপুরা, মহাখালী, বনানী, গুলশান, বারিধারা, মিরপুর, পল্লবী, কালশীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রেখেই কাজ করছে পুলিশ। পাড়া-মহল্লার অলি-গলিতেও রয়েছে পুলিশের টহল।

সকালে খিলগাঁও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় দায়িত্বরত খিলগাঁও জোনের পুলিশ পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন বলেন, অপ্রয়োজনে সাধারণ মানুষ ঘোরাঘুরি করছে কিনা তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সড়কে রিকশা ছাড়া কোনো গণপরিবহন বা ব্যক্তিগত পরিবহন চলছে না। তবে পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপ চলাচল করছে। একইসঙ্গে জরুরি সেবার কাজে নিয়োজিত ছোটখাটো মাইক্রোবাস প্রাইভেট কার চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে।

লকডাউনের মধ্যে কাজের খোঁজে খিলগাঁও মোড়ে অপেক্ষা করছিলেন মানিক মিয়া। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। লকডাউনে রাস্তায় কেন বের হয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, পেট কি আর লকডাউন মানবে? কাজ না করলে খাব কি? আমি দিনমজুর। দিনে রোজগার করি, দিনে খাই। কাজ না করলে সংসার চালাবো কীভাবে? আজ যদি রোজগার না করি, তাহলে পরিবারের খাবার জুটাবে না।

মগবাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ মুরগি বিক্রেতা শুকুর আলী বলেন, আমি ফেরি করে মুরগি বিক্রি করি। লকডাউনের মধ্যে বাইরে বের হয়েছি পেটের দায়ে।

সর্বশেষ নিউজ