২৪, অক্টোবর, ২০২১, রোববার

শরীয়তপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৪ জনকে কুপিয়ে জখম, থানায় মামলা নেয়নি পুলিশ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৪ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে সাবেক এক ইউপি সদস্য ও তার দলবল লোক বলে অভিযোগ উঠেছে। আহতরা লিখিত অভিযোগ নিয়ে পালং মডেল থানায় গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি।
শনিবার রাতে শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার চিতুলিয়া ইউনিয়নের উত্তর কান্দি গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পালং মডেল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে আহতরা জানান।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম পেদা, মো: সাগর আহম্মেদ রিপন ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায় শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলীয়া ইউয়িনের ৮নং ওয়ার্ডেও উত্তর কান্দি গ্রামের অলিউর রহমান সরদার দিঘদিন ধরে ঐ এলাকায় জুয়ার বোর্ড, মাদক ব্যবসা করে আসছে বলে অভিযোগ করেছে সফিকুল ইসলাম পেদা, রিপন সরদার, মঞ্জুর আলম সরদার। শনিবার সন্ধ্যায় শরীয়তপুরে চিতলিয়া ইউনিয়নের সমিতি বাজার দিয়ে যুবলীগ নেতা সফিক পেদা, আতাউর রহমান পেদা, শাহ আলম পেদা ও জাকির হোসেন এই ইউনিয়নের খা কান্দি যাচ্ছিলেন। পথে মধ্যে ৮ নং ওয়ার্ডে সাবেক মেম্বার অলিউর রহমান সরদার ও তার দলবল নিয়ে ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে শফিক পেদা (৩৫) আতাউর রহমান পেদা (৪৫) শাহ আলম পেদা(৩৮) ও জাকির হোসেন পেদা (৩০) কুপিয়ে মারাত্মক করে। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে পালং মডেল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি।
এ ব্যাপারে আতাউর পেদা বলেন, অলিউর রহমান সরদারের ভাগিনা রাজশাহী বিভাগের প্রশাসনের বড় কর্মকর্তা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে পুলিশ কোন ব্যাবস্থা নেয় না। আমরা থানায় মামলা করতে যায়। পুলিশ কোন মামলা নেয়নি উল্টো আমাদের সঙ্গে খারাব ব্যবহার করে।

এ ব্যপারে শাহ আলম পেদা ও মঞ্জুর আলম সরদার বলেন, অলিউর রহমান সরদারের ভাগিনা আবদুর জলির মাদবর রাজশাহী বিভাগে প্রশাসনের বড় কর্মকর্তা। তার প্রভাবে অলিউর রহমান সরদার এলাকায় জুয়ার কোর্ড, মাদক বিক্রিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয় না।
এ ব্যাপারে অলিউর রহমান সরদার বলেন, সমিতির বাজারে আমার একজন লোক সফি পেদা মারধর করে। সেখানে আমার লোক হারুন হাওলাদার মিমাংসার জন্য গেলে, তারা অস্ত্র নিয়ে আমার ভাই ও আমার ছেলেকে কুপিয়ে জখম করে। এতে আমার পক্ষের ৩ জন আহত হয়। জুয়া ও ইয়াবা কথা জিজ্ঞাস করলে তিনি ফোন কেটে দেন।
পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আক্তার হোসেন বলেন, ঘটনার দিন আমি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের দেখে আসছি। আহত শফিকুল ইসলাম পেদা লিখিত অভিযোগ নিয়ে আসছিল। স্থানীয় নেতারা মিমাংসা করে দিবে বলে, আমি মামলা নেয়নি।

সর্বশেষ নিউজ