২৭, অক্টোবর, ২০২১, বুধবার

সদর ইউনিয়নে ৪০ দিনের কর্মসূচিতে অনিয়ম-১

এসএম বাচ্চু,তালা: ২০২০-২১অর্থ বছরের অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থানের জন্য(ইজিপিপি-২ পর্যায়ে) ৪০ দিনের কর্মসূচিতে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তালা সদর ইউনিয়নে।কর্মসূচির প্রকল্প তালিকায় দরিদ্র ব্যক্তিদের নাম থাকলেও কাজে নেওয়া হচ্ছে না তাদের।
এমনকি বর্তমান চেয়ারম্যান সরদার জাকিরের সমার্থক না হওয়ার কারনে তালা সদর ওয়ার্ডের ২ জনের নাম কেটে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এতে প্রকল্পের বরাদ্দের বড় একটি অংশের ভাগ দিতে হয় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তরকে।

প্রকাশ,করোনা ভাইরাসের কারনে অনুষ্ঠব্য ইউপি নির্বাচন স্থগিত করায় রানিং চেয়ারম্যানরা দায়িত্ব পেয়েছেন পুনরায়। এই সুযোগে তালা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেনের সমার্থক না হওয়ার কারণ দেখিয়ে ২ জন ব্যক্তির নাম কর্তন করেছেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানাযায়,তালা সদর ইউনিয়নের সদর ওয়ার্ডের রহিমাবাদ সবুর মোড়লের বাড়ি হতে খোদাবক্স এর বাড়ি পর্যন্ত পাইলিং এর কাজ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ২.৬৪,০০০/-(দুই লক্ষ চৌষট্রি হাজার টাকা)। ৪০ দিনের এই কাজে লোক কর্মরত আছেন ৩৩ জন খাতা কলমে। তবে সরজমিনে কাজ করছেন মাত্র ২৩ জন। এদিকে সাবেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক নজরুল ইসলামের সমার্থক হওয়ার দ্বায়ে নজরুল সরদার ও হোসেন শেখের নাম কর্তন করা হয়েছে।
মোবারাকপুর গ্রামের মৃত. এসএম সরদারের পুত্র নজরুল সরদার বলেন, আমি গতবার ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ করেছি। এবার কাজ শুরু হয়েছে জানতে পারলে কাজ করতে যায়। সেখানে যাওয়া মাত্র সরদার আজিজুল বলেন তোমার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে কাজে আসা লাগবে না।কারন বলা হলো চেয়ারম্যান সরদার জাকির কেটে দিয়েছে তুমি সাংবাদিক নজরুলের দল করো তাই।

খাজরা গ্রামের মৃত. আব্দুল মজিদ শেখের পুত্র হোসেন শেখ বলেন, আমি দিন আনি দিন খাই। আমাকে বিনা অপরাধে কর্মসূচির খাতা হতে নাম কেটে দেওয়া হয়েছে বলতে পারবো না। তবে আজিজুল বলেছে তুমি সরদার জাকিরের ভোট করোনি তাই নাম কেটে দেওয়া হলো।
এবিষয়ে জানার জন্য ইউপি সদস্য কল্লোল বলেন,আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। আপনি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করেন।

তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির মোবাইল ফোনে বারংবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওবাদুর রহমান বলেন, অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থানের জন্য(ইজিপিপি-২ পর্যায়ে) ৪০ দিনের কর্মসূচিতে কর্মরত কোন ব্যক্তি যদি মারা গেলে। অথবা সেচ্ছায় কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করলে তাকে বাদ দেওয়ার আইন আছে। অন্যথায় কোন ভাবে কর্মরত ব্যক্তির নাম ছাটাই বা বাছাই করার নিয়ম নেই। সদর ইউনিয়নের বিষয় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবো।

সর্বশেষ নিউজ