১৭, সেপ্টেম্বর, ২০২১, শুক্রবার

১ টন ওজনের লালমিয়া জমিদার, দাম হাকাচ্ছেন ১৫ লক্ষ!

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ এইবার কোরবানির ঈদে দেখা যাবে লালমিয়া জমিদারকে। তবে টিভির পর্দায় না গরুর হাটে। লালমিয়া জমিদার মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া ইউনিয়নের উয়াইল গ্রামের মোঃ আরাদন মিয়ার গৃহপালিত ষাঁড়ের নাম। আরাদন মিয়া আদর করে ২৭ মন ওজনের এই ষাঁড় গরুটির নাম রেখেছেন লালমিয়া জমিদার। ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন পালন করছেন লালমিয়া জমিদারকে।
লালমিয়া জমিদারের চিকিৎসক (ব্রাক- এ.আই কর্মী) মোঃ ঈসমাইল শিকদার জানালেন, লালমিয়া জমিদার ৮ফুট ১০ ইঞ্চি লম্বা, উচ্চতা ৫.৪ ফুট, গলার বেড় ৪ ফুট ১০ ইঞ্চি= ১ টন বা ২৭ মন।

মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া ইউনিয়নের উয়াইল গ্রামের আরাদন মিয়া ৩ বছর যাবৎ লালন পালন করে আসছেন। মালিক আরাদন বলেন, আমার এই লাল মিয়া জমিদারকে নিজের সন্তানের মত লালন করে আসছি। কেননা তার জন্ম হয়েছে আমার বাড়ী। গত বছর ঈদে তার দাম উঠেছিল ৮ লক্ষ টাকা। কিন্তু এলাকার গন্যমান্য লোকজন আমাকে বলেন যে, তুমি আরো ১ বছর লালন করলে ভাল মূল্য পাইবা এজন্য আমি বিক্রি করিনাই। এবছর আশা করছি ভাল এবং সঠিক মূল্যে আমার লালমিয়া জমিদারকে বিক্রি করতে পারব।

বেশ রাজকীয় ভাবেই রাখা হচ্ছে লালমিয়া জমিদার কে, গরম থেকে সুরক্ষায় তার জন্য রয়েছে ৩টি সিলিং ফ্যান। খাবার মেন্যুতে রয়েছে স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি আঙ্গুর, মালটা ,কলা,পেয়ারা, মিষ্টি লাউ।
প্রতিদিন লালমিয়া জমিদারকে প্রায় ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার পরিমান বিভিন্ন খাবার খাওয়ানো হয়ে থাকে। বিগত ছয় মাস ধরে এই পরিমান টাকার খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। এর আগে লালমিয়া জমিদারের জন্য প্রতিদিন বাজেট বরাদ্দ ছিলো ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা।

আরাদন মিয়া বলেন, লালমিয়া জমিদারকে প্রতিদিন কাচা ঘাস, গমের ভূসি, শুকনা খড়, ভুট্টা, ধান ও গম ভাঙ্গা, ছোলার পাশাপাশি চিড়া, আখের গুর, মালটা, কলা, নালী খাওয়ানো হয়।
২৭ মন ওজনের লালমিয়া জমিদারের দাম হাকাচ্ছেন ১৫ লক্ষ টাকা। খামারী আরাদন আরো জানান, ইতিমধ্যে লালমিয়া জমিদারের দাম উঠেছে ১০ লাখ। তার বিশ্বাস ভারতীয় গরু না আসলে তিনি কাঙ্খিত দামই পাবেন। এবং দুরে কিংবা কাছের যে কেউ খামার মালিকের সাথে এই ০১৭৬১৯৩৫৫১১ নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল।

সর্বশেষ নিউজ