২৩, সেপ্টেম্বর, ২০২১, বৃহস্পতিবার

৫ মাস পর খোলা হলো পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক

মসজিদের নাম পাগলা মসজিদ। কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক এ মসজিদটিতে ৮টি লোহার বানানো দান সিন্দুক রয়েছে। প্রতি ৩ মাস পর পর এ সিন্দুকগুলো খোলা হয়। কিন্তু করোনার জন্য ৫ মাস পর শনিবার (১৯ জুন) দান সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ফরিদা ইয়াসমিন টাকা গণনার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়া টাকা গণনার কাজে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইব্রাহিম, মো. জুলহাস হাসন সৌরভ, রূপালী ব্যাংকের এজিএম ও অন্যান্য কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

এর আগে সর্বশেষ ২৩ জানুয়ারি (শনিবার) দান সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছিল। তখন সর্বোচ্চ ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল। এবার ৪ মাস ২৬ দিন পর দান সিন্দুকগুলো খোলা হচ্ছে।

মসজিদটি পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৯ জুন) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। দান সিন্দুকগুলো খুলে প্রথমে দানের টাকাগুলো বস্তায় ভরে আনা হয়েছে গণনার জন্য। এখন চলছে টাকা গণনার কাজ।

মসজিদের দান থেকে পাওয়া এসব অর্থ এ মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।

বর্তমানে কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে পাগলা মসজিদ অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান। শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে মাত্র ১০ শতাংশ ভূমির ওপর এই মসজিদটি গড়ে উঠেছিল। এ মসজিদের পরিধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে এর খ্যাতি ও ঐতিহাসিক মূল্য। মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি অত্যাধুনিক ধর্মীয় কমপ্লেক্স এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রসারিত হয়েছে মূল মসজিদ ভবনও।

ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মসজিদটিকে ঘিরে চলছে ব্যাপক উন্নয়নযজ্ঞ। এ ছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থ সাহায্য করা হয়।

সর্বশেষ নিউজ