২০, অক্টোবর, ২০২১, বুধবার

৮৭ বছর পর আয়া সোফিয়াতে প্রথম ঈদুল ফিতরের নামাজ

অধ্যাপক ডা. আলী এরবাস খুৎবায় বলেন, হযরত মুহাম্মদ (স.) হাদিসে মুসলমানদেরকে দেহের অঙ্গগুলোর সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং ঘোষণা করেন যে সমস্ত মুমিনকে একজন মুমিনের কষ্ট ও যন্ত্রণা অনুভব করা উচিত এবং যে মুসলিম নিজের জন্য যা চান তা অন্যের জন্য না চায় সে পরিপূর্ণ মুসলমান না।

উল্লেখ্য, আয়া সোফিয়া মসজিদে তুরস্কে প্রসিডেন্টের পর ক্ষমতাশীন ব্যক্তি পার্লামেন্টের স্পিকার মোস্তফা সেন্টোপ, পরিবহন ও অবকাঠামো মন্ত্রী আদিল ক্যারাইসমেলওলু, ইস্তাম্বুলের গভর্নর আলী ইয়ারলিকায়া এবং ফাতিহ পৌরসভার মেয়র এরগুন তুরানও ঈদের নামাজ আদায় করেন।

তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার মোস্তফা সেন্টোপ ঈদের নামাজ শেষে পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজায় ইসায়েলের আক্রমণ সম্পর্কে বলেন, এই পরিস্থিতি, এমন একটি চিত্র যা পুরো মুসলিম বিশ্বকে অশান্ত করে তোলে, বিশ্বের প্রায় ২ বিলিয়ন মুসলমানের এই ঈদ উৎসবকে বিচলিত এবং বিষাক্ত করে তুলছে।

তিনি সারা বিশ্বের নিপীড়িত ও আক্রান্ত মুসলমানদের ঈদের অভিনন্দন জানান এবং কামনা করেন যে এই ঈদ যেন তাদের জন্য বিপর্যয় কাটানোর উপলক্ষ হয়।

তিনি মসজিদে আকসাকে তিনটি ধর্মই অন্যতম পবিত্র স্থান উল্লেখ করে বলেন, সবার জন্য এটি উন্মুক্ত রাখা গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। যেটা ওসমানী সাম্রাজ্য করতে পেরেছিল। নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকে সকল রাষ্ট্রে সকল ধর্মের লোককে শান্তিতে বসবাসের সুযোগ দিয়েছিল।

এজন্য ইহুদীরা ১৪৯২ সালে স্পেনে অত্যাচারিত হয়েছিল, তারা অটোমান সাম্রাজ্যে আশ্রয় নেয়াটা শান্তি ও প্রশান্তির জায়গা হিসেবে দেখেছিল। এখনও ইহুদী নাগরিকরা এখানে শান্তিতে বসবাস করছে।

সুতরাং আমাদের প্রতিবাদ ইহুদিদের বিরুদ্ধে নয় বরং জায়নিবাদী ইহুদিবাদী, ইসরায়েলীয় মানসীকতার বিরুদ্ধে, যা একটি জায়নিবাদী উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে এবং এই অঞ্চলটিকে রক্ত জরিয়ে অত্যাচারের একটি স্থানে পরিণত করেছে।

বিশ্বকে, বিশেষত ইসলামী দেশগুলোকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এই মনোভাব, দখল ও নিষ্ঠুর নীতির বিরুদ্ধে একটি সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে হবে।

সর্বশেষ নিউজ