১৬, জানুয়ারী, ২০২১, শনিবার

শ্রীপুর পৌর নির্বাচনে উত্তপ্ত এলাকা : আ.লীগ বিএনপির পাল্টাপাল্টি মামলা

আরিফ প্রধান, গাজীপুর : আগামি ১৬ জানুয়ারি গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে আ.লীগ বিএনপি প্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া,নির্বাচনি অফিস ভাংচুর,মারধর মোটরসাইকেল ভাংচুর,অগ্নি সংযোগ, নির্বাচনি প্রচার পত্র ছিড়ে ফেলা ও সমর্থকদের হুমকি দেয়া ও বিচ্ছিন্ন ঘটনায় এরই মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে গেছে নির্বাচনি এলাকা। জায়গায় জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছে র‍্যাব।

এসব ঘটনায় আ.লীগ ও বিএনপি একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে শ্রীপুর পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ ও শ্রীপুর মডেল থানায় কয়েকশত ব্যাক্তির নামে পৃথক মামলা দায়ের এবং পৃথক সংবাদ সন্মেলন করেছেন।

আ.লীগ মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব আনিছুর রহমান রোববার সন্ধ্যায় সংবাদ সন্মেলনে জানান, বিএনপি প্রার্থীর পরাজয় নিশ্চিত জেনে অবাধ সুষ্ঠু স্বাভাবিক নিরপেক্ষ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য তারা বরাবরের মত পূর্বপরিকল্পিত ভাবে নিজেরাই ঘটনা সাজিয়ে আমাদের উপর দায়ভার চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ফুল দিয়ে ফেরার সময় বিএনপি প্রার্থীর অফিস থেকে আ.লীগের মিছিলের পিছন থেকে তারা ইট পাটকেল, পাথর ছুড়ে মারে ও মারধর করে, এতে আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়। এছাড়াও উজিলাব এলাকায় নৌকা সমর্থিত যুবকের মোটরসাইকেল অগ্নি সংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে। বৈরাগীরচালা এলাকায় আমার নির্বাচনি অফিস ভাংচুর করে কর্মীদের মারধর করেছে। এসব বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ ও থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এড.কাজী খান সোমবার বিকেলে সংবাদ সন্মেলনে জানান, আ.লীগ প্রার্থী নির্বাচনে পরাজিত হবে জেনে নির্বাচন ভিন্ন খাতে প্রভাহিত করার জন্য তার সমর্থকরা রোববার আমার বাড়ি ও নির্বাচনি অফিসে হামলা চালিয়ে অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুর করে প্রচার পত্র নিয়ে যায়। খবর পেয়ে অফিসে আসার কিছুক্ষন পর আবারও হামলা চালিয়ে আমিসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর করেন। এতে আমি’সহ বেশ কয়েকজন আহত হন পুলিশ আমাকে চিকিৎসার জন্য শ্রীপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। আমার কর্মী সমর্থকের মোটর সাইকেল ভাংচুর করেছে। আমি সহ আমার কর্মী সমর্থকদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ ও থানায় মামলা দায়ের করেছি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আকন্দ জানান, উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ থানা পুলিশকে তদন্তের জন্য বলা হয়েছে। নির্বাচনি আচরণ বিধি কেউ ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ নিউজ