১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

মাটিরাঙ্গায় আওয়ামীলীগ মেয়র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

জসিম উদ্দিন জয়নাল,খাগড়াছড়িঃ ৪র্থ ধাপে অনুষ্ঠিতব্য মাটিরাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মোঃ সামছুল হক

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারী ) সকাল ১০টার দিকে মাষ্টার পাড়ায় তার বাসভবনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সামছুল হক আগামী পৌর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে পৌর এলাকায় শতভাগ উন্নয়ন করা হবে উল্লেখ করে বলেন,এলজিইডির১৭৭টি প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে,নির্বাচনের পর পরই এসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। মাটিরাঙ্গায় বিনোদনের ব্যাবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে জলপাহাড় কে আরো আধুনিকায়ন ও উন্নত করে সাজানো হবে। মাটিরাঙ্গার ধলিয়া লেক কে আধুনিকায়ন করা হবে একই সাথে লেক দখলকারীদের উচ্ছদসহ স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া ধলিয়া খালকে কেন্দ্র করে একটি আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র করা হবে।

মাটিরাঙ্গার জনগণের দীর্ঘদিনের দাবীকে গ্রাহ্য করে একটি পৌর টার্মিনাল গঠন করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য সংলিষ্ট মন্ত্রনালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

নির্বাচনে বহিরাগতদরা প্রভাব বিস্তার করছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,বহিরাগত প্রভাব বিস্তার নিতান্তই গুজব ভোটাররাই আমার জন্য যতেষ্ট। পৌরবাসির প্রতি আমার আস্থা রয়েছে,

গত নির্বাচনে শতভাগ প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন,বিভিন্ন কারণে শতভাগ সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। এবার নির্বাচিত হলে শতভাগ উন্নয়ন করা হবে এবং পাশাপিশি অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

বিএনপির প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণায় ক্ষমতাসীনদের প্রাভাব বিস্তার করছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকদদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
বিএনপির অহেতুক অভিযোগ করা স্বাভাবে পরিণত হয়েছে। তাদেরকে কোন ধরণের প্রচারনায় বাধা প্রদান করা হয় নি।

তিনি আরো বলেন,নির্বাচনে তিনটি চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে,অভিভাবকদের ও শিক্ষার্থীদের চাহিদানুযায়ী পৌর এলাকায় নতুন করে আরেকটি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন,পৌর টার্মিনাল নির্মাণ,পৌর এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাইটিং ও পানীয় জলের ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত,১৪ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত মাটিরাঙ্গা পৌর নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৯শ৬৫ জন। পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৮শ ৬ জন এবং নারী ভোটার ৯ হাজার ১শ ৬৯ জন বলে জানা যায়। মাটিরাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ভোট কেন্দ্রে ৫৫টি বুথে ভোট গ্রহণ করার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।