১৪, আগস্ট, ২০২২, রোববার

একজন মহৎ শিক্ষ‌কের গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসুন অ‌ন্যের বিপ‌দে আমরা এ‌গি‌য়ে আ‌সি , তি‌নি সাউথ ক্যারলিনার হাই স্কুলের একজন প্রিন্সিপাল। উনাকে হেনরি স্যার বলেই সবাই ডাকে। একজন সম্মানিত মানুষ। কিন্তু উনি নাইট শিফটে ওয়ালমার্টে কাজ নিছেন। সবাই একটু অবাক কারন উনার তো জব আছে কিন্তু তারপর ও এই রাতের বেলায় আবার কাজ নি‌য়েছেন কেন?

উনার অনেক স্টুডেন্ট, অনেক পরিচিত মানুষ যখন ওয়ালমার্টে যায় তখন দেখে উনি সেখানে কাজ করছেন তারা একটু অবাক হয়। প্রথমে উনি কিছু বলেননি কেন কাজ নিছেন, পরে যখন বারবার জিজ্ঞাসা করা হয় তখন জানিয়েছেন তার রাতের বেলায় কাজের কারন, উনি দেখেছেন উনার স্কুলের অনেক স্টুডেন্ট অর্থের অভাবে দিন কাটাচ্ছে, থাকার জায়গা থাকলে খাবার নাই, খাবার জোগার হলে ও থাকার জায়গা নাই। কয়েক বছর আগেও দেখেছিলেন ব্রীজের নীচে তার স্টুডেন্টকে ঘুমাইতে, এখন আবার দেখলেন একজন স্টুডেন্ট গাড়ীতে ঘুমাইতেছে। উনার খুব খারাপ লাগছিল বিবেকে বাঁধছিল। যে কি করা যায় সে সমস্ত স্টুডেন্টদের জন্য যারা মেধাবী পড়তে চায় কিন্তু পর্যাপ্ত অর্থ নাই।

তাই তিনি স্থির করলেন, এক্সট্রা কাজ করবেন, বাড়তি কাজ করে যে ডলার পাবেন তা সেই সব ছেলেমেয়েদের সহযোগিতা করবেন যাদের অর্থ নেই। সোজা কথা যারা দরিদ্র। না তিনি কারো কাছে হাত পাতেননি, কাউকে বলননি সহযোগিতা করতে, বা উনার নিজেও খুব বেশী সম্পদের মালিক তাও নয়। আর এই খবর যখন ওয়ালমার্ট কর্নধার জানতে পারে, তখন উনার এই মহৎ চিন্তা কে স্বাগত জানিয়ে উনার স্কুলে ৫০ হাজার ডলার ডোনেশন দিছে। এই খবর এখন সবার মুখে মুখে ঘুরতেছে। সবাই উনাকে সেলুট জানাচ্ছে।

শিক্ষক/ প্রিন্সিপল এমন হলেই না শিক্ষার্থীরা শিখবে।
এমন মহৎ মানুষ আছে বলেই পৃথিবী এখনো সুন্দর।

সর্বশেষ নিউজ