১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

রুহিয়ায় ব্যাডমিন্টন কাপ ২০২১ শুভ উদ্বোধন

ফারুক হোসেন, রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি: সুস্থদেহ সুস্থ মন, ক্রীড়ার মাঝেই জীবন গঠন।। এই পতিপাদ্য নিয়ে ঠাকুরগাঁয়ে রুহিয়ায় এক জমকলো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ব্যাডমিন্টন কাপ ২০২১ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়।

৩১শে জানুযায়ী রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় রুহিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ব্যাডমিন্টন স্টেডিয়াম মাঠে ব্যাডমিন্টন কাপ ২০২১ এর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি পার্থ সারথি সেন। সভাপতি রুহিয়া থানা আওয়ামীলীগ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবু সাঈদ বাবু সাধারণ সম্পাদক রুহিয়া থানা আওয়ামীলীগ, চিত্ত রঞ্জন রায় অফিসার ইনচার্জ রুহিয়া থানা, অনিল সেন, চেয়ারম্যান ২০নং রুহিয়া ইউপি, আশরাফুল ইসলাম সভাপতি ২০নং রুহিয়া ইউপি আওয়ামীলীগ, আব্দুল মালেক মানিক সাধারণ সম্পাদক রুহিয়া থানা বিএনপি,
আব্দুল জব্বার সহ সভাপতি, ১নং রুহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, মকবুল হোসেন সহ সভাপতি ১নং রুহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, দুলাল রব্বানী সাধারণ সম্পাদক ১নং রুহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,

খেলার আয়োজোক অনুষ্ঠানে সভাপতি ১নং রুহিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবু বলেন তরুণ সমাজ কে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে খেলার কোন বিকল্প নাই। তিনি বলেন আজকের এই খেলা যারা আয়োজন অংশ গ্রহণ করেছেন তারা সবাই ব্যাডমিন্টন খেলা প্রেমি। তারা আমার ছোটভাই তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানায়।

উদ্বোধনী নক আউট খেলায় রুহিয়া ল্যাবএইড কে হারিয়ে নেকমরদ ব্যাডমিন্টন ক্লাব জয়ী হয়। এদিকে বোদা একাদশকে হারিয়ে ফুলকলি বীরগন্জ এগিয়ে যায়, স্টার স্পোর্টস ঢোলার হাট কে হারিয়ে বন্ধু ডায়াগনষ্টিক সেন্টার জয়ী হন। খেলায় পরিচালনায় ছিলেন সফিউর রহমান সফি দপ্তর সম্পাদক রুহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। খেলায় ৩২টি দল এই টুনামেন্ট অংশ গ্রহণ করবেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।