১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

নবাবগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসে সেবা গ্রহিতাদের ভোগান্তি

নবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসে সেবা গ্রহিতাদের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেখানে দির্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থাকলেও কোন কর্মকর্তা বা অফিরে কাউকে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন নাছিমা বেগম। শোল্লা গ্রামের হাফেজ আলী সাংবাদিকদের দেখে এগিয়ে এসে বলেন, আমরা একটা কাজে সকাল ১০টা থেকে এসে এখন পর্যন্ত বসে আছি কিন্তু তারা কেহই অফিসে নাই। প্রায় দিন এসে এই অফিসে কাউকে খুজে পাওয়া যায় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, ইকবাল ভাই তো অফিসে আসেননা বল্লেই চলে। তিনি তো অফিসটা তার মন মত বানিয়ে নিয়েছেন। মন চাইলে আসেন মন না চাইলে আসেন না। এক সাপ্তাহের হাজিরা একদিনে তুলে চলে যান। এ ছাড়াও অফিসের অন্যন্য কর্মকর্তারাও নিয়মিত অফিসে আসে না।

সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন মৃধা যানান, আমি আজ অনেক অসুস্থ তাই আফিসে আসতে পাড়ি নাই।
ইকবাল হোসেন মৃধারর স্থায়ী ঠিকানা মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলা চন্দনধুল এলাকায় খোজ খবর নিয়ে যানাযায়, সে এলাকয় রাজনীতি করে। খুব ভাল মানুষ সে।সে কোন সরকারি চাকুরী করে কিনা সে ব্যাপারে যানতে চাইলে একাধিক চায়ের দোকানী যানায়। সে তো মনে হয় বছর খানেক আগে রিটায়ার্ড করেছে। আর এখন সে এলাকাতেই থাকে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয় কর্মকর্ত মো. নজরুল ইসলাম শেখ বলেন, আমাদের কাজে সকলেই সন্তুষ্ট। অফিসে না আশার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান আমরা তো আপনার জন্য সারাদিন অফিসে বসে থাকব না। আপনি ফোন দিলে অবশ্যই আপনার জন্য বসে থাকতাম ভাই।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দীন মনজু বলেন, কোন সেবা গ্রহীতা যদি সেবা না পেয়ে থাকে তবে অবশ্যাই আমাদের সাথে যোগাযোগ করেতে বলব। কোন কর্মকর্তা যদি তার কর্মস্থলে অফিসিয়াল কোন অনুমতি ছড়া বা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অবগতি ছাড়া অনুপস্থিত থাকে সেটি যাচাই বাছাই করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।