১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

উইঘুর মুসলিমদের ‘শেষ করে দেওয়ার’ পরিকল্পনা ফাঁস!

চীনের স্বায়ত্তশাসিত জিনজিয়ান প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের শেষ করে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির কমিউনিস্ট সরকার। তাদের হত্যা-নির্যাতনের পাশাপাশি পুরুষদের দাস বানানো এবং নারীদের ‘পদ্ধতিগত গণধর্ষণ’ করা হচ্ছে।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আজ বুধবার প্রকাশিত বিবিসির দীর্ঘ এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে। উইঘুর ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বশেষ ও বিস্তারিত বিবরণের ভিত্তিতে এটি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘পুনঃশিক্ষণ’ নামের বন্দিশিবিরে উইঘুর নারীদের ওপর যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন চালানো হচ্ছে। উইঘুরদের সবাইকে শেষ করে দেয়ার লক্ষ্যে ‘পদ্ধতিগত গণধর্ষণ’ করা হচ্ছে।

তুরসুনায়ে জিয়াউদুন নামে এক উইঘুর নারী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেছেন, এলাকাটিতে যারা শাসন করছেন (চীনা পুরুষ) তাদের উদ্দেশ্য সবাইকে শেষ করে দেওয়া। শিবিরগুলোতে পরিকল্পনা করেই প্রতিনিয়ত নারীদের ধর্ষণ করা হয়।

খবরে বলা হয়, তুরসুনায়ে জিয়াউদুন একজন উইঘুর নারী। তিনি গত মঙ্গলবার মুক্তির পর জিনজিয়াং থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চলে আসেন। বিবিসিকে তুরসুনায়ে জিয়াউদুন জানান, প্রতি রাতে নারীদের কক্ষ থেকে একজন করে নিয়ে যেত চীনারা। তাদের শরীরে কোনো ইউনিফর্ম থাকতো না। মুখোশ পরে তারা ঘরে ঢুকত। একাধিক মুখোশধারী চীনা পুরুষ তাকেও ধর্ষণ করেছিল। তাকে নির্যাতন করা হতো। এমনও দিন গেছে, জিয়াউদুনকে দিনে তিনবার কয়েক পুরুষ গণধর্ষণ করতো।

চীনা পুরুষরা মুখোশ পরে থাকতো সবসময় কারণ, তারা পরিচয় প্রকাশ করতে চাইত না। কেননা, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারত। অন্যান্য নারীদের নির্যাতনের ব্যাপারেও জিয়াউদুন কথা বলেন বিবিসির সঙ্গে। তিনি বলেন, মধ্যরাতের কিছু পরে চীনারা তাদের পছন্দের নারীদের বেছে নিয়ে করিডোরে থাকা একটি কালো কক্ষে নিয়ে যেত। সেখানে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। কোনো নজরদার‌ী থাকতো না। রাতের পর রাত ধর্ষণ, গণধর্ষণ চলতো। তাকেও ওই কালো কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

জিনজিয়াং থেকে আসা জিয়াউদুন বলেন, এটি চিরকাল আমার জীবনের কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। এ শব্দগুলো আমি আর নিজের মুখে বলতে চাই না। বিবিসিকে এই উইঘুর নারী জানান, তিনি যে নির্যাতন বন্দী শিবিরগুলোতে দেখেছেন, তাকে যদি জিনজিয়াংয়ে ফিরতে হয়; এসব তথ্য প্রকাশের কারণে তাকে আরো কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

জিনজিয়াংয়ের থেকে আসা আরেক কাজাকাস্তান নারী বিবিসিকে বলেন, চীনা বন্দী শিবিরগুলোতে নারীদেরকে নগ্ন করে রাখা হয়। তাদের হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়। তাকে ১৮ মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছিল।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, চীন সরকার ধীরে ধীরে উইঘুরদের ধর্মীয় ও অন্যান্য স্বাধীনতাকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। এমনকি সেখানে গণ নজরদারি, আটক, ধর্ষণ-গণধর্ষণ, নির্যাতন একটি সাধারণ ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।