১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

মুন্সিগঞ্জ সেবা কেন্দ্রের আয়োজনে পথশিশুদের নিয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জ সেবা কেন্দ্রের পথচারী ও ছিন্নমূল পথশিশুদের নিয়ে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে দিনব্যাপী মুন্সিগঞ্জ সেবা কেন্দ্রের আয়োজনে সদর উপজেলার শহরের বিভিন্ন স্থানে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ২৫০ প্যাকেট পিঠার আয়োজন করা হয় প্রত্যেক বক্সে ফুল পিঠা,তেলের পিঠা,পাটিসাপটা পিঠা, সন্দেশ পিঠা এই চার প্রকার পিঠার আয়োজন করেছে।
পথশিশু,পথচারীদের এবং ছিন্নমূল মানুষদেরকে শীতের পিঠার স্বাদ পাওয়ার জন্যই এই আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজকেরা জানান আমরা বিভিন্ন মহলে দেখে থাকি পিঠা উৎসব মূলত ভিআইপিরা নিজেরা করে থাকেন। উপভোগ করার জন্য কিন্তু মুন্সিগঞ্জ সেবা কেন্দ্র অসহায় দরিদ্র ছিন্নমূল মানুষদের কথা ভেবে তাদের জন্য করেছেন এ রকম চমৎকার আয়োজন করি। কারন এ ধরনের মানুষগুলো পিঠার স্বাদ খুব কমই নিতে পারে তাই ভেবে ।
ভবিষ্যতে এরকম আয়োজন চলমান রাখতে চান মুন্সিগঞ্জ সেবা কেন্দ্র।
তাছাড়া মুন্সিগঞ্জ সেবা কেন্দ্র ‘ মুমূর্ষু রোগীদের বিনামূল্যে রক্ত যোগান,দারিদ্র্য এবং ছিন্নমূল মানুষদের পাশে দাঁড়ানো সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন।
ভবিষ্যতে সকলের সহযোগিতায় মুন্সিগঞ্জ সেবাকেন্দ্র অনেক দূর এগিয়ে যেতে চান‌।

পিঠা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ সেবা কেন্দ্র এর সকল স্বেচ্ছাসেবীরা মুন্সিগঞ্জ সেবা কেন্দ্র

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।