১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

সিরাজদিখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবী

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে বালুচর বাজারে এক মিষ্টির দোকানীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবী করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার ৬ ফেব্রুয়ারী বেলা ১২ টায় উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের বালুচর বাজারে ভাই ভাই সুইস মিট এর মালিক মোঃ সবুজ কে ০১৭৬৫৪৫৪১৪৮, ০১৬১০৪৭১৫৮৮ এই ফোন নাম্বার দিয়ে ফোন দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের তালিকায় থাকা নাম ১৫ হাজার টাকা দিলে বাদ দেওয়া হবে নতুবা ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে বলে হুমকি দেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে।

বালুচর বাজার ভাই ভাই সুইস মিট এর মালিক সবুজ জানান বেলা ১২ টায় আমাকে একাধিক ফোন নাম্বারে ফোন দিয়ে বলে আমি ইউ এন ও বলছি আমরা বালুচর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবো তাতে আপনার দোকানের নাম আছে। যদি ১৫ হাজার টাকা দেন তাহলে আপনার দোকানের নাম বাদ দিয়ে দেব নতুবা ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করবো বলে হুমকি দেয়।

০১৬১০৪৭১৫৮৮ এই নাম্বারে যোগাযোগ করে পরিচয় জানতে চাইলে তিনি জানান আমার পরিচয় জানলে আপনার প্যান্ট খুলে যাবে।

এবিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম জালাল উদ্দিন বলেন, এরকম অবৈধ লেনদেন না করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। আগামীতে যদি এরকম কেহ হুমকি দিয়ে থাকে তাহলে সাথে সাথেই আমাকে জানানোর অনুরোধ করছি আমি সাথে সাথেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।