১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

আ’লীগের ঘাড়ে বসে নৌকার বাইরে গেলে ছাড় হবেনা: আব্দুল মান্নান খান

মিজানুর রহমান নয়ন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ঃ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান বলেন, ‘ ২০১২ সালের পরবর্তীতে আওয়ামীলীগে যোগদানকারী ও অনুপ্রবেশকারীরা দলের কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে পারবেনা।কোন নির্বাচনে দলীয় প্রতীক পাবেনা।আওয়ামীলীগের ঘাড়েবসে তারা যদি নোকার বাইরে ভোট করে তাদের ছাড় দেওয়া হবেনা।

শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নন্দলালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আব্দুল মান্নান খান বলেন, শো ডাউন করে, শক্তি খাটি কাউকে ব্যক্তি বিশেষ নৌকায় মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ। নৌকা দেওয়ার মালিক একমাত্র শেখ হাসিনা। তিনি আরো বলেন, দলের জন্য যারা আন্দোলন সংগ্রাম ও ত্যাগ স্বীকার করেছে, তৃণমূলে যাদের জনপ্রিয়তা রয়েছে, তাদের নামই কেন্দ্রে পাঠানো হবে। এছাড়াও বর্তমান সরকারের নানাবিধ উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে জনগনকে বারবার নৌকায় ভোটদানের অনুরোধও করেন তিনি।

নন্দলালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের
আওয়ামী সহ সভাপতি আতাউর রহমান আতা সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আশাদুর রহমান আশা, নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নওশের আলী বিশ্বাস, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য জাকারিয়া খান জেমস, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।

এসময় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও এ মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন – উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মিজানুর রহমান জুয়েল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য মাসুদ পারভেজ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান, নন্দলালপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম আকরামসহ প্রমুখ।

এই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ আলোচনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম রাজু।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।