১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

নরসিংদী কুডি টাকার জন্য দোকানদারের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদী জেলা প্রতিনিধিঃ মাএ কুডি টাকার জন্য দোকাদার জুলহাস ধারালো ছুরি দিযে এলোপাতাডি কুপিযে হত্যা করে অটোরিক্সা চালক যুবক আরিফুলকে।

প্রত্যক্ষদর্শীর ঘটনার বিবরনে জানা যায ৬ ফেব্রযারী রাত সারে এগারোটায নরসিংদী সদর উপজেলার সোনাতলা মোডে মৃত বাচ্চুর ছেলে জুলহাস (৪০) এর দোকানে কুডি টাকার রটি খায সোনাতলা এলাকার মৃত বাচ্চু ড্রাইভারের ছেলে আরিফুল(২৪)। দোকারদার টাকা চাইলে সে পরে দিবে বলে জানায, এতেই জুলহাস ক্ষিপ্ত হযে আরিফুল এর সাথে তর্কে লিপ্ত হওযার এক পযাযে আরিফুল চলে যেতে চাইলে দোকান থেকে ধারালো ছুরি এনে পেছন দিক থেকে এলোপাতারি কুপিযে হত্যা করে আরিফুলকে।

এসময গভীর রাত হওযায রাস্তায কোন মানুষ ছিল না। পরে রক্তাক্ত আরিফুল কে দোকানের পার্শবর্তী তার চাচা হান্নানের বাডরি উঠানে ফেলে চলে যায জুলহাস ও তার ছেলে ইউনুছ। ৫ মিনিট পর সোনাতলা এলাকার আওযামীলীগ নেতা সামসুল গাজীকে মোবাইলে ফোন দিযে জুলহাস জানায আমি আরিফুলকে ছুরি দিযে মেরেছি তাকে তারাতারি হাসপাতালে নিযে চিকিৎসা করান। এরই মধ্যে পথচারির ডাকে হান্নান ঘুম থেকে উঠে তার বাতিজা আরিফুল কে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিযে গেলে কর্তব্য রত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে।

পরে সদর থানা পুলিশ এসে ঘটনাস্হল পরিদর্শন করে। আরিফুলের লাশের মযনাতদন্ত শেষে ঘোডাদিযা সামাজিক গোরস্হানে লাশ দাফন করা হয। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায কোন মামলা করা হযনি। নিহতের চাচা হান্নান জানায মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।