১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

টনক নড়লো ডাচ-বাংলা ব্যাংকের

‘নিয়মিত বুথ ব্যবহার করতে হলে ব্যাংকে ন্যূনতম পাঁচ হাজার টাকা জমা রাখতে হবে’, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছিলেন সাধারণ গ্রাহকরা। অনেকে হিসাব না রাখার হুমকি দেন। এর পরই টনক নড়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের।

সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। ফলে এখন আর কোনো গ্রাহকের হিসাব পরিবর্তন হবে না। সাধারণ গ্রাহকও বাড়তি চার্জ ছাড়া অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) বুথ ব্যবহার করতে পারবেন।

রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখা ও ফাস্ট ট্র্যাকের পক্ষ থেকে এমন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) আবেদুর রহমান সিকদার।

তিনি বলেন, ‘সেবার পরিধি বাড়াতে আমরা নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এরপরই আমাদের অনেক গ্রাহক বলেছেন, তাদের অ্যাকাউন্ট তারা আগের মতো রাখতে চান। গ্রাহকদের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান রেখে আমরা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছি। গ্রাহকরা স্বাভাবিক নিয়মেই সেবা পাবেন।’

নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের স্যালারি ও স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টকে অপরিবর্তিত রেখে শুধুমাত্র সঞ্চয়ী হিসাবের গ্রাহকদের অধিকতর সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে সঞ্চয়ী হিসাবকে দুটি প্রোডাক্টে বিভক্ত করে ব্যাংকের উক্ত গ্রাহকরা যে প্রোডাক্টে তার অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে ইচ্ছুক, তা জানতে চেয়ে ব্যাংকের শাখাসমূহ থেকে কিছু কিছু গ্রাহকদের কাছে ইতোমধ্যে পত্র পাঠানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিছু গ্রাহকদের অনুরোধে সঞ্চয়ী হিসাবকে দুইটি প্রাডাক্টে বিভক্ত না করে বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে সেই অবস্থাতেই অপরিবর্তিত রাখার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গ্রাহকদের মধ্যে যারা ইতোমধ্যে পত্র পেয়েছেন তাদেরকে ওই পত্রটি বিবেচনায় না নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষোভের বিষয়টি তুলে ধরে ঢাকা পোস্ট। ‘কৌশলে’ গ্রাহকের গলা চেপে ধরছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক! শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপরই ব্যাংকটির ‘গ্রাহকবিরোধী’ এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

ডাচ বাংলার ‘গ্রাহকবিরোধী’ সেই সিদ্ধান্তটি হলো- সাধারণ অ্যাকাউন্টে ৫০০ টাকা থাকলেও ডিপোজিট প্লাসে থাকতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। এজন্য কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন গ্রাহক। বর্তমান হিসাব নম্বর, এটিএম কার্ড, চেক বই অপরিবর্তিত থাকবে। প্রতিদিন এটিএম বুথ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে আটবার তুলতে পারবেন। মাসে যতবার প্রয়োজন এটিএম সুবিধা নিতে পারবেন। আর ৫০০ টাকার সাধারণ হিসাবে বর্তমান হিসাব নম্বর, এটিএম কার্ড, চেকবই পরিবর্তন হয়ে যাবে। প্রতিদিন ২০ হাজার টাকা তুলতে পারবেন। তবে দিনে একবার এবং মাসে তিনবারের বেশি এটিএম বুথ ব্যবহার করতে পারবেন না। করলে পাঁচ টাকা বাড়তি চার্জ দিতে হবে প্রতি লেনদেনে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।