১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

আল জাজিরার প্রতিবেদন উদ্ভট ও কাল্পনিক – হানিফ এম,পি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ঃ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, আল জাজিরা উদ্ভট ও কাল্পনিক একটা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যার সাথে আমাদের প্রধানমন্ত্রী, সরকার বা রাষ্ট্রের সাথে কোন সর্ম্পক নেই। দেশের বাইরে পলাতক এক আসামী কথোপকথন তুলে ধরা হয়েছে। আর হারিছ আহম্মেদ আর সরকারের মধ্যে কোন দূর্নীতির চিত্র সেখানে নেই। সেও পলাতক আসামী। লন্ডনে দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক তারেক রহমানের সাথেও তো বিএনপির নেতারা গিয়ে দেখা করেন, কথা বলেন।

হানিফ বলেন, দেশের মধ্যে থেকে ৭১ এর পরাজিত শক্তি, ক্ষমতায় থাকতে দূর্নীতি করে আদালতে দন্ডপ্রাপ্ত হয়েছে হাওয়া ভবনের সেইসব কর্ণধররা প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের বিরুদ্ধে অপ্রচার করে যখন কোন লাভ হয়নি তখন দেশের বাইরে থেকে আলজাজিরায় কাল্পনিক উদ্ভট টাইপের একটা স্টোরি বানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ইমেজকে খাটো করার চেষ্টা করা হয়েছে।

জনসমর্থন বিহীন বিএনপি এখন দিবা¯^প্ন দেখছে, তারা মনে করছে ষড়যন্ত্র করে সরকারের পতন ঘটানো যাবে। যে কারনে তারা সবসময় ষড়যন্ত্রের পথ খুজতে থাকে। আমরা আগেও বলেছি বিএনপি জামায়াতের কোন ক্ষমতা নেই যে, এই সরকারের পতন ঘটাবে, সরকারের পতন একমাত্র জনগনই করতে পারে নির্বাচনের মাধ্যমে। এর বাইরে কোনভাবেই সরকারের পতন ঘটানো যাবেনা। বিএনপির এই স্বপ্নই থেকে যাবে।

তিনি আজ সোমবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া শহরে পিটিআই রোডে নিজ বাসভবনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এ সময় জেলা আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।