১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে এমএসআর সরবরাহের দরপত্রে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিয়নায়তনে কয়েকজন এমএসআর ঠিকাদার এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ২০২০-২০২১ অর্থ বৎসরে টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এমএসআর সরবরাহের দরপত্র আহবান করা হয়।

নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের প্রতিষ্ঠান মেসার্স শামছুল হক ফামের্সী, মেসার্স লোটাস সার্জিক্যাল, মেসার্স প্রন্তিক এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স সাইদ ম্যাডিক্যাল, মেসার্স দীনা ফার্মেসীর নামে দরপত্র ক্রয় করে দরপত্রের শর্তাবলি অনুযায়ী সকল কাগজপত্রসহ বিগত ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর দরপত্র দাখিল করা হয়। দরপত্র দাখিলের দুই মাসের অধিক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সর্বনি¤œ দরদাতাদের দর প্রস্তাব মূল্যায়ন না করে অনিয়মের মাধ্যমে উচ্চ দরদাতাদের দর প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে চুড়ান্তভাবে ঠিকাদার নিয়োগের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর প্রেরন করা হয়েছে। এতে সরকারের কোটি টাকার উপরে ক্ষতি হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, পরে তারা অনিয়মের বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক বরাবর লিখিতভাবে জানতে চাওয়া হয়- কী কারণে তাদের সিডিউল বাতিল করা হয়েছে। কিন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আবেদন গ্রহন করেন নাই। আমরা পরে তথ্য আধিকার আইনের মাধ্যমে জানতে চাই কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেটিও গ্রহন না করে আবেদনপত্র ফিরিয়ে দেন। পরে সবগুলো চিঠি ডাকযোগে রেজিস্ট্রি করে জেনারেল হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক বরাবর পাঠানো হয়। কিন্তু সেটি গ্রহণ না করে ফেরত দেয়া হয়েছে এবং এর কোন সদোত্তর দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মেসার্স শামছুল হক ফার্মেসীর প্রোপ্রাইটর আমিনুর রহমান শাহীন, মেসার্স সাইদ মেডিক্যাল হলের প্রোপ্রাইটর আবু সাইদ চৌধুরী ও মেসার্স প্রান্তিক এন্টারপ্রাইজের পরিচালক আব্দুল্লাহ আলম মাসু

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।