১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

আবারো আগ্রাসনের প্রস্তুতি চীনের, ভারত সীমান্তে মজুত বিপুল রকেট, মিসাইল!

পূর্ব লাদাখে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে চলছে লাগাতার বৈঠক। এখনও পর্যন্ত ন’ দফা বৈঠক হয়েছে। তাতে কোনও সমাধানসূত্র বের হয়নি। সেনাসংখ্যা কমানো এবং সেনা অপসারণ করা নিয়ে একমত হতেই পারছে না দুই দেশের সেনাবাহিনী।

এই অবস্থায় লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে বিপুল রকেট, মিসাইল মজুত করেছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। তাদের মোটরাইজড ডিভিশন এবং রকেট ডিভিশনের ইউনিটের সংখ্যা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। ভারতীয় গুপ্তচরদের কাছে এবং উপগ্রহ মারফত পাওয়া গোপন ছবি সেকথাই বলছে।

ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর, সেনা অপসারণ বা ডিসএনগেজমেন্টের কোনও সদিচ্ছাই দেখাচ্ছে না চীন। উল্টো তাদের রাইফেল ডিভিশনের অধীনে সেনা সংখ্যা কয়েক হাজার করে বাড়ানো হচ্ছে।

পিএলএ প্রতিটি সংঘর্ষ-বিন্দুতে (ফ্রিকশন পয়েন্টে) তাদের সেনাবিন্যাস ঘন ঘন পালটাচ্ছে। ফরোয়ার্ড পোস্টগুলোতে রোটেশনে ডিউটি বদলানো হচ্ছে সেনা সদস্যদের।

উপগ্রহ চিত্র থেকে এও ধরা পড়েছে, তিব্বতের বিভিন্ন এলাকা ও সীমান্তরেখার সেনা ঘাঁটিগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিপুল উন্নতি ঘটেছে। পাশাপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জিনজিয়াং প্রদেশের হোটান বায়ুসেনা ঘাঁটিও। লালফৌজ সেখানেও ব্যাপক সেনা নিয়োগ করেছে। জমায়েত করা হয়েছে প্রচুর পরিমাণে সামরিক সরঞ্জাম।

কয়েক দিন আগেই অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে চীনের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে বলে প্রকাশ্যে স্বীকার করে নিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর।

লাদাখ সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “সীমান্তে সংঘাত নিয়ে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনীর কমান্ডারদের মধ্যে এপর্যন্ত নয় দফা আলোচনা হয়েছে।

আমাদের বিশ্বাস এই বিষয়ে কিছুটা হলেও অগ্রগতি হয়েছে। তবে বাস্তবে তেমন কিছু নজরে আসছে না। গতবছরের ঘটনার পর চীনা ফৌজের মোকাবিলায় আমরা নিয়ন্ত্রণরেখায় বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছি।”

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।