১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ডিভোর্স হচ্ছে, সামনে কঠিন সময় নুসরাতের

ব্যক্তিগন জীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন, সহ-অভিনেতা যশের সঙ্গে পরকীয়ার জেরে স্বামী নিখিল ডিভোর্সের নোটিশ দিয়েছেন। নিজের রাজনীতি ও ফিল্ম ক্যারিয়াও ঠিক রাখতে হবে। সব কিছু নিয়ে কঠিন সময়ের মুখোমুখি ওপার বাংলার সাংসদ ও অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।

সামনে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। তৃণমূলের হয়ে মাঠ ধরে রাখার পাশাপাশি শোবিজ দুনিয়া থেকে নিজেকে বিরতি দেওয়ার সুযোগ নেই। তাই এর মধ্যেই সম্প্রতি এক ফ্যাশন ইভেন্টে হাজির হয়েছিলেন নুসরাত।

সেখানে রুপোলি লেহেঙ্গা চোলিতে ঝলমল করলেন এই অভিনেত্রী। গলায় হীরার হার, চুল সাইড পার্ট করে খোলা রেখেছিলেন নুসরাত। ভারতীয় পোশাকেও একদম আবেদনময়ী হয়ে ধরা দেন নুসরাত। এতেই চটেছেন নেটিজেনরা।

নুসরাতের এই ফটো সেশনের ছবিতে একাধিক নেগেটিভ কমেন্ট উপচে পড়ল। কেউ নায়িকার ঠোঁট নিয়ে খোঁচা দিলেন, সরাসরি লিখলেন ‘ঠোঁটের সার্জারি করে একদম বিশ্রী দেখাচ্ছে’। কেউ আবার তার পোশাককে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন।

এভাবেই প্রেমিক যশের বিজেপিতে যোগদান ও স্বামীর ডিভোর্স নোটিশের এই কঠিন সময়ে তাকে এক হাত নিয়েছেন নেটিজেনরা। তবে বরাবরের মতো এ নিয়েও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি নুসরাত। যদিও ইতিমধ্যে ডিভোর্সের আগেই যশের সঙ্গে রাজস্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।