১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ফুলবাড়ীতে নব নির্বাচিত পৌর মেয়রকে ব্যাবসায়ী সমিতির সংবর্ধনা প্রদান

আল হেলাল চৌধুরী, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর): দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র বিশিষ্ট শিল্পপতি সমাজ সেবক মাহমুদ আলম লিটনকে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন ফুলবাড়ী থানা ব্যবসায়ী সমিতি ও তরুন ব্যবসায়ী সমিতি পেশাজীবি সংগঠন। বুধবার রাত ৮টায় স্থানীয় পুরাতন সিনেমা হল মাঠ প্রাঙ্গনে ফুলবাড়ী থানা ব্যবসায়ী সমিতি ও তরুন ব্যবসায়ী সমিতির যৌথ উদ্যোগে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ফুলবাড়ী ব্যবসায়ী সমিতির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ও দিনাজপুর জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ¦ কামরুজ্জামান শাহ কামরু এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নবনির্বাচিত পৌর মেয়র আলহাজ মাহমুদ আলম লিটন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর কাউন্সিলর মমতাজুর রহমান পারভেজ, সৈয়দ সামিউল ইসলাম সোহেল, আব্দুল জব্বার মাসুদ, ব্যবসায়ী নেতা সহকারী অধ্যাপক শেখ সাবীর আলী, ব্যবসায়ী নেতা এমএ কাইয়ুম, স্বণশিল্পি সমিতির সভাপতি মানিক মন্ডল, তরুন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল মতিন, সাধারন সম্পাদক মমিনুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর গোলাফ্ফর রহমান প্রমুখ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মনজুরুল কাদির, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আব্দুল জব্বার মাসুদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওয়াহেদ মন্ডল।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলার সর্বস্তরের ব্যবসায়ী শ্রমিক নেতা সাংবাদিক ও সুধি সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন্ ব্যবসায়ীগণ ফুলেল শ্ভুচ্ছো ও ক্রেস্ট প্রদান করে সংবর্ধনা প্রদান করেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।