১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

পদত্যাগের ইঙ্গিত দিলেন কোণঠাসা পাক প্রধানমন্ত্রী

ক্রমশ কোণঠাসা হতে হতে দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে পিঠ। এই পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

অর্থ রোজগারের জন্য তিনি রাজনীতিতে আসেননি, সেকথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, শনিবারের আস্থা ভোটে হেরে গেলে মসনদ ছেড়ে দেবেন।

খোলাখুলি নিজের পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়ে ইমরান জানিয়ে দিলেন, বিরোধী আসনে বসতে কোনও আপত্তি নেই তার।

অভিমানের পাশাপাশি ক্ষোভও উগরে দিতে দেখা গেল তাকে। বিরোধীদের পাশাপাশি দেশের নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নিয়েছেন ইমরান খান। তার অভিযোগ, টাকার সাহায্যে ভোট কেনাবেচা হচ্ছে সংসদে। আর তাদেরই রক্ষা করছে কমিশন।

ক্ষুব্ধ ইমরানকে বলতে শোনা যায়, “আমাদের গণতন্ত্র নিয়ে এটা কী ধরনের রসিকতা হচ্ছে? এ কেমন গণতন্ত্র?”

বছর তিনেক আগে ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে ইমরান খান সরকারকে। সম্প্রতি সংসদের উচ্চকক্ষে হারতে হয়েছে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রীকে। এরপরই নিম্নকক্ষে আস্থা ভোটের মাধ্যমে নিজের শক্তি পরীক্ষা করতে চাইছেন ইমরান। হেরে গেলে গদি ছাড়তেও আপত্তি নেই তার।

প্রসঙ্গত, অর্থমন্ত্রী আব্দুল হাফিজ শেখকে হারিয়ে দিয়েছেন ইউসুফ রাজা গিলানি। আব্দুল শেখ যেখানে ১৬৪টি ভোট পেয়েছেন, সেখানে ১৬৯টি ভোট পেয়েছেন গিলানি। সাতটি ভোট বাতিল হয়েছে। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে পেরেছে। আপাতত তাদের লক্ষ্য চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যানের আসন। ওই দু’টি আসনের নির্বাচন হবে আগামী ১২ মার্চ। গোপন ব্যালটে ভোটগ্রহণ হবে।

তবে তার আগেই শনিবার হবে আস্থা ভোট। সেখানে হেরে গেলে গদি ছাড়তে হবে ইমরানকে। তার আগে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে আক্রমণাত্মক ও আবেগপ্রবণ মেজাজে দেখা গেল পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীকে। জানালেন, তিনি হার মেনে নেবেন। সরকারের পতন হলেও দুঃখিত হবেন না। কিন্তু বিরোধীদের মতো অর্থ ছড়িয়ে গণতন্ত্রকে অপমান করতে পারবেন না।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।