১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

মুসলমানদের যুদ্ধ নাস্তিকদের বিরুদ্ধে: বাবুনগরী

হেফাজতে ইসলামের আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী বলেছেন, বাংলাদেশসহ সারা দুনিয়াতে আজ যে অশান্তি বিরাজ করছে, তার পেছনে কারা কাজ করছে এবং কারা নানাভাবে মুসলিম জাতিকে বিশ্বব্যাপী উগ্র হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে তারা হচ্ছে নাস্তিকের দল। তাদের কোনো ধর্ম নেই। তাদের একমাত্র শত্রু হচ্ছে আল্লাহ, রাসুল ও উম্মতি মোহাম্মদীরা। এই নাস্তিক্যবাদীরা আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বে নানা ধর্মের বিশ্বাসীদের মধ্যে নানাভাবে বিরুধ সৃষ্টি করে আজ ধর্মে ধর্মে যুদ্ধে লাগিয়ে তারা এখন খেলা করছে।

শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ এধার পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় দারুল কোরআন ইসলামীয়া মাদরাসার উদ্যোগে তৃতীয় বার্ষিকী ও ওয়াজ মাহফিলে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেফাজতে ইসলামের আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনাইদ বাবু নগরী এই সব কথা বলেন।

বাবুনগরী আরো বলেন, তারা বুঝে না নমরুদ ফেরাউনরাও অনেক শক্তিশালী ছিল। কিন্ত আল্লাহপাকের ইশারায় সামান্য মশার কাছে তারা পরাস্ত হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, নবী রাসুলে কথা শুনলে তাদের গা জ্বালা দিয়ে উঠে। তাই এদেশের শান্তি প্রিয় মুসলমানের ধর্মী প্রতিষ্ঠান এবং এর খেদতমকারী ও আল্লাহওয়ালাদের বিরুদ্ধে এই নাস্তিকরা ষড়যন্ত্রে বেড়া জাল বুনছে। তাদের বিরুদ্ধে আপনারা স্বোচ্ছার হোন। আজকে ভারতের মোদি সরকার সেখানে বাবরী মসজিদ ধ্বংস ও মুসলমানদের নির্মূলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু মহান আল্লাহপাকের ইশরায় তারও শান্তিতে নাই।

বাবুনগরী বলেন, বাংলার মাটিতে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমগ্র জাতি স্বঅবস্থানে বাস করছে, আওয়ামী লীগ-বিএনপিরাও কোনো না কোনোভাবে এক অভিন্ন। কিন্তু মুরগি শাহরিয়ার কবিরসহ নাস্তিক্যবাদের বিশ্বাসীরা হচ্ছে সমস্ত জাতির জন্য বিপদ জনক। তাই মুসলমান তথা আমাদের যুদ্ধ হচ্ছে নাস্তিক্যবাদের বিরুদ্ধে। এর বাইরে সমস্ত বিশ্ববাসী নিরাপদ ও শান্তির বিশ্বাসী।

ঢাকা জামিয়াতুল ইব্রাহীম মাদরাসার মুহাদ্দেস মাওলানা মুফতি মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে ও ফরিদগঞ্জ দারুল কোরআন ইসলামীয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের পরিচালনায়, মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা কারী আশরাফ আলী, মাওলানা অলি উল্যা, মাওলানা জসিম উদ্দীন, মাওলানা মুফতি আনোয়ার মোল্লা, মুফতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন আমিনী প্রমুখ।

জানা গেছে, আল্লামা জুনাইদ বাবু নগরীর আগমন উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফরিদগঞ্জে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।