১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

পার্বতীপুরে জাল সনদে মানিক কুমারের শিক্ষকতা

মোঃ আঃ সাত্তার, দিনাজপুর প্রতিনিধি : বিএড পরীক্ষার জাল সনদপত্র দিয়ে দীর্ঘদিন থেকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন এক শিক্ষক। ঘটনাটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর থেকে পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মানিক কুমার রায়। নিয়োগ পাওয়ার পর তিনি প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত করার জন্য আবেদন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চল অফিসে। শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ তার কাগজ পত্র যাচাই-বাছাই পূর্বক পর্যালোচনায় প্রধান শিক্ষক মানিক কুমার রায়ের বিএড পরীক্ষার সনদের সঙ্গে অনলাইনে দেয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওযয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যের গড়িমসি দেখতে পায়।

এক পর্যায়ে তার কাগজ পত্র রিজেক্ট করে দেয়া হয়।এ ব্যপারে গত রবিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালক(ভারপ্রাপ্ত) আখতারুজ্জামান জানান, ইতোপূর্বে দুই বার তার কাগজ পত্র রিজেক্ট করে দেয়া হয়েছে। মানিক কুমার রায়ের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য, তার এমপিও হওয়ার সম্ভাবনা নাই। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অবগত করা হয়েছে।

আর আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রসঙ্গ আমার নয়।পার্বতীপুর উপজেলার পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও এমএ ওহাব সরকারের সঙ্গে মুঠোফোনে তিনি জানান আমি অনেক দেরীতে শুনেছি। এ বিষয়টি পরিস্কার করে বলতে পারবেন জেলা শিক্ষা অফিসারসহ রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। এ ব্যাপারে গত রবিবার প্রধান শিক্ষক মানিক কুমার রায়ের সঙ্গে কথা হলে তিনি জাল সনদের কথা স্বীকার করেছেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।