১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

চীনের সিনোভ্যাক করোনা টিকা নেওয়ার পর হংকংয়ে ২ জনের মৃত্যু

চীনের তৈরি করোনা টিকা সিনোভ্যাক নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে হংকংয়ে মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়ার শিকার হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন আরও দুইজন। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক রিপোর্ট প্রকাশ করে জানিয়েছে তিন জন রোগীই চীনের সিনোভ্যাক টিকা নিয়েছিলেন।

শনিবার সকালে হংকংয়ের কোওং ওয়াহ হাসপাতালে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণে ৫৫ বছর বয়সী এক মহিলা মারা যান। জানা যায় তার মৃত্যুর তিন দিন আগে কুয়ান চুং স্পোর্টস সেন্টার ভ্যাকসিনেশন সেন্টার থেকে তিনি টিকা নিয়েছিলেন। ঐদিনই দেশটির স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক বিবৃতি অনুসারে জানা যায় তিনি আগে থাকেই দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই আরও একজন রোগী মারা যাওয়ার এক তৃতীয় ঘটনা এটি। সোমবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের বরাত জানা যায়, গত বুধবার ভ্যাকসিন গ্রহণের তিন দিন পর হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় ৭১বয়সি এক ব্যাক্তিকে কে রাতে ইউনাইটেড ক্রিশ্চান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সন্দেহজনক হার্ট অ্যাটাকের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকা নেওয়ার পর এক ব্যক্তির শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় ২৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক সূত্রের বরাত দিয়ে জি৫নিউজ এর খবরে বলা হয়, হাসপাতালে ভর্তির পর তার হার্ট অ্যাটাক হয় এবং একইদিনে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে সিনোভ্যাকের টিকা নিয়ে মৃত্যুর ঘটনা মঙ্গলবার (২ মার্চ) তদন্ত করার কথা জানিয়েছে হংকংয়ের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। সিনোভ্যাক বায়োটেক উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের এ টিকা কোভিড -১৯ প্রতিরোধে ৫০.৪ শতাংশ কার্যকর। ফলে বিশেষজ্ঞরা, এ টিকার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বেশ কয়েকদিনের মধ্যে সিনোভ্যাকের টিকা নিয়েছেন এমন সাতজনকে হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হয়েছে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।