১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

দিনাজপুরে পস ডিজিটাল মেশিনের মাধ্যমে ট্রাফিক পুলিশ-এর সেবা অব্যাহত

মোঃ আব্দুস সাত্তার , দিনাজপুর প্রতিনিধি : পস ডিজিটাল মেশিন ব্যবহার করে দিনাজপুর ট্রাফিক পুলিশ বিভিন্ন সেবা দিয়ে চলেছে।
ডিজিটাল মেশিনের মাধ্যমে শহরে ব্যবহৃত বিভিন্ন মোটরযান ও ইঞ্জিন চালিত যান এর নাম্বার প্লেট এর নম্বর অতি সহজেই গাড়ীর প্রকৃত মালিকের পরিচয় বের করে মামলাসহ বিভিন্ন কাজের গতিবেগ বাড়ানো হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১০ মার্চ বুধবার দিনাজপুর শহরের হাসপাতাল মোড়, লিলির মোড় সহ শহরের প্রাণকেন্দ্রের বিভিন্ন পয়েন্টে ডিজিটাল মেশিনের ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন গাড়ীর নাম্বার যাচাই বাছাই করে মামলা প্রদান করেন দিনাজপুর ট্রাফিক পুলিশের টি.আই আবু রায়হান সিদ্দিক, টি আই শাহ্ আলম, টি আই মোঃ হাসান আসকরী, টি আই শফিউল আলম, টিএস আই আজাদ, সার্জেন্ট তৌহিদ, টি এস আই রিপন কাজী সহ ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে নিয়োজিত অন্যান্য ট্রাফিক পুলিশ সদস্য।

দায়িত্বে নিয়োজিত ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা বৃন্দ জানান এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডিজিটাল মেশিনের ব্যবহার করে আমাদের কাজের গতি যেভাবে বাড়ছে এবং অতি সহজেই হাতের নাগালেই একটি গাড়ীর নম্বর প্লেট দ্বারা গাড়ীর প্রতিটি প্রকৃত মালিক চিহ্নিত করা হচ্ছে আমরা আশাবাদী এই পদ্ধতি চলমান থাকলে গাড়ী চুরি থেকে শুরু করে অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম যা বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয় এ সকল কার্যক্রম অতি সহজেই কমে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।