১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

শ্বশুরকে গৃহবন্দী করার নির্দেশ দিলেন যুবরাজ সালমান

সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান শ্বশুর মাশহুর বিন আব্দুল আজিজকে গৃহবন্দী করার নির্দেশ দিয়েছেন। সৌদি আরবের একটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থা এ খবর দিয়েছে।

খবরে প্রকাশ, সৌদি আরবের নিরাপত্তা সংস্থাকে না জানিয়ে আমেরিকার একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সাথে বৈঠকের পর এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

তবে ঠিক কবে থেকে তিনি গৃহবন্দী অবস্থায় রয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। মাশহুর বিন আব্দুল আজিজ হচ্ছেন যুবরাজের স্ত্রী সারার বাবা। একইসাথে তিনি বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের সৎ ভাই।

বর্তমান বাদশার চার ছোট ভাই এখনো জীবিত রয়েছেন। তারা যেকোনো সময় বাদশাহ ও যুবরাজের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে।

সৌদি যুবরাজ এ পর্যন্ত দুই শ’র বেশি প্রিন্স ও রাজনীতিবিদকে আটক করেছেন এবং এদের অনেকেই অর্থের মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি হাজার হাজার কোটি ডলার আয় করেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া সাংবাদিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে যুবরাজের বিরুদ্ধে।

জার্মানির দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলীয় কার্লসুরের ফেডারেল কোর্ট অব জাস্টিসে সাংবাদিক নির্যাতনের বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস।

আদালতে দায়ের করা ৫০০ পৃষ্ঠার অভিযোগে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে অন্তত ৩৪ জন সাংবাদিককে জোরপূর্বক আটকে রাখা হয়েছে। হত্যা করা হয়েছে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে। এসব সাংবাদিক আইনবহির্ভূত নির্যাতন, যৌন সহিংসতা ও হত্যার শিকার হয়েছেন।

সূত্র : পার্সটুডে

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।