১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

দক্ষিণ এশিয়ার সেরা তরুণ নেতার তালিকায় মাশরাফি

দক্ষিণ এশিয়ার সেরা তরুণ নেতার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এবং নড়াইল-২ আসন থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা। ফোরাম অব ইয়াং গ্লোবাল লিডার্স এ তালিকা প্রকাশ করেছে।

নিজেদের ওয়েবসাইটে মাশরাফিকে নিয়ে ফোরাম অব ইয়াং গ্লোবাল লিডার্স বলেছে, ম্যাশ ৩টি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট ফাইনালে জাতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নিজের সংসদীয় এলাকা নড়াইলে দারিদ্র্য দূর করতেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন।

সংসদ সদস্য হওয়ার অনেক আগেই মাশরাফি নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন নামক একটি সামাজিক সেবামূলক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিশেষায়িত শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন, কর্মসংস্থান, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ এবং চিত্রা নদী এলাকায় পর্যটনের পরিবেশ তৈরিসহ ৬টি লক্ষ্য সামনে রেখে এ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত।

প্রতি বছর রাজনীতি, বাণিজ্য, শিক্ষা, মিডিয়া এবং শিল্পে বিশেষ অবদান রাখা অনূর্ধ্ব-৩৮ বছর বয়সী ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করে ফোরাম অব ইয়াং গ্লোবাল লিডার্স।

নিজের ‘পাইলট’ নামের রহস্য জানালেন খালেদ মাসুদ

রোড সেফটি ওয়ার্ল্ড সিরিজে টানা ৩য় হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ দল। ভারতের রায়পুরে গতকাল বুধবার (১০ মার্চ) রাতে শ্রীলঙ্কা লিজেন্ডসের কাছে ৪২ রানে হেরেছে বাংলাদেশ লিজেন্ডস। আগে ব্যাট করে লঙ্কানদের করা ১৮০ রানের জবাবে ১৩৮ রান করে বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা।

ম্যাচ চলাকালে বাংলাদেশের ইনিংসের সময় যখন ড্যাশিং ওপেনার মেহরাব হোসেন অপি ও নাজিমউদ্দিন ব্যাট করছিলেন তখন ধারাভাষ্যকাররা যুক্ত হন খালেদ মাসুদের পাইলটের সাথে। এ সময় নিজের ‘পাইলট’ নামের রহস্য জানালেন বাংলাদেশের দলের সাবেক এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।

ধারাভাষ্যকাররা যখন খালেদ মাসুদের কাছে তার ‘পাইলট’ নামের রহস্য জানতে চান তখন তিনি বলেন, আমার ডাক নাম পাইলট। ছোটবেলায় আমার মামা আমার এই নামটি দিয়েছিলেন। মামা চেয়েছিলেন আমি যেন বড় হয়ে পাইলট হই। এজন্যই এই নাম। কিন্তু আমি পাইলট হইনি, হয়েছি ক্রিকেটার।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।