১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

শ্রীপুরে প্রসূতিকে অপচিকিৎসা দেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় লাইফ কেয়ার হসপিটাল নামের এক বেসরকারী ক্লিনিকের অপচিকিৎসায় এক প্রসুতি মায়ের জীবন সংকটাপন্ন হয়ে উঠার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার তিনজনকে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।অভিযুক্তরা হলেন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.মাহমুদা আলম ব্যবস্থাপক মো. আবুল হোসেন হাসানও মালিক মহিউদ্দিন আহমেদ।

সংকটাপন্ন প্রসুতির নাম সিমু আক্তার সে ভাংনাহাটি গ্রামের তুষারের স্ত্রী।ভুক্তভোগীর শশুর কফিল উদ্দিন মন্ডল বলেন, তার পুত্রবধু সন্তান সম্ভাব্য হওয়ায় হাসপাতালের লোকজন তাকে ফুসলিয়ে সিজারের জন্য উক্ত হাসপাতালে ভর্তি
করেন। গত ০১মার্চ অভিযুক্ত গাইনী চিকিৎসক মাহমুদা আলম সিজারিয়ান অপারেশন
করলে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন তার পুত্রবধু।

অপারেশনের পর থেকেই উক্ত হাসপাতালের অব্যবস্থাপনায় তার পুত্রবধুর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে উঠে। পরে রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে উঠলে গত ০৪ মার্চ তাকে রিলিজ দিয়ে দেয়। রোগী বাড়ী
যাওয়ার পর থেকেই ক্ষতস্থান থেকে ব্লিডিং হতে থাকে।

এসময় রোগীর জীবন বাঁচাতে জরুরীভাবে তাকে উত্তরার আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই অপচিকিৎসার বিষয়টি ধরা পড়ে। বর্তমানে প্রসুতি এই মা উত্তরা আধুনিক হাসপাতালের অধ্যাপক হাফিজা বেগমের অধিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, অপারেশনের পর উক্ত হাসপাতালের কোন চিকিৎসক পাওয়া যায়নি,
তাদের নেই প্রশিক্ষিত সেবক বা সেবিকা। অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়মিততাদের হাসপাতালে নানা ধরনের অপারেশন করে যাচ্ছে। তার মতো যাতে আর কেউএভাবে অপচিকিৎসার শিকার না হয় সে জন্যই তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উক্ত হাসপাতালটি সরকারী অনুমোদনবিহীন ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় এক ব্যক্তির ভবন ভাড়া নিয়ে গত ৩বছর পূর্বে শ্রীপুর পটকাসিনিয়র মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহমেদ এই হাসপাতাল গড়ে তুলেন।

এলাকায় এলাকায় মার্কেটিং বিভাগের লোক দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজনদের ফুসলিয়ে চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক মো. আবুল হোসেন হাসানের দাবী, অপারেশনের পর রোগীর
সমস্যার বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অবহিত করার পর আমরা তাকে হাসপাতালে
নিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছিলাম। তারা পরে আর আমাদের এখানে না এনে রোগীকে
উত্তরায় নিয়ে যান। এ রোগীর চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন অপারেশনের পর যে কোন রোগীর সমস্যা হতেই পারে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ খায়রুজ্জামান বলেন, তিনি এখনো এ বিষয়ে অবহিত নন। তবে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।