১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

মাদক বিরোধী অভিযানে, ফুলবাড়ী পৌর বিএনপি নেতাসহ চার জন গ্রেফতার

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাদক বিরোধী র‌্যাব ও পুলিশ পৃথক অভিযানে ১৬ বোতল ফেন্সিডল ও তিন হাজার তিন’শ পিস ইয়াবাসহ ফুলবাড়ী পৌর বিএনপির সহ-সভাপতিসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১২ ও ফুলবাড়ী থানা পুলিশ।

রোববার সন্ধা সাড়ে ৬ টায় র‌্যাব-১২ ফুলবাড়ী সাবরেজিষ্ট্রি অফিসের সামনে থেকে তিন হাজার ৩০০ পিস ইয়াবাসহ পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তাহারুল রিপনসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। অপরদিকে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টায় বারকোনা মোড় থেকে ১৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ শাপলা বেগম নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ।

র‌্যাবের হাতে আটক মাদক ব্যবসায়ী মোস্তাহারুল হাছান রিপন (৪৫) পুর্ব গৌরীপাড়া গ্রামের কাজেম উদ্দিনের ছেলে ও ফুলবাড়ী পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি। অপর দুই মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার সরদার পাড়া গ্রামের আমজাদ সরকারের ছেলে আপেল সরকার (৩২) ও নবাবগঞ্জ উপজেলার শালঘরিয়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে সুলতান হোসেন (৩৭)। এই ঘটনায় ওই দিন রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে র‌্যাব-১২ এর পরিদর্শক আবু সাদেক বাদি হয়ে ফুলবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এছাড়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে আটক শাপলা বেগম কুশলপুর গ্রামের আলতাব হোসেনের স্ত্রী। এই ঘটনায় ফুলবাড়ী থানার এসআই আরিফুজ্জামান বাদি হয়ে ফুলবাড়ী থানায় পৃথক একটি মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব-১২ ব্যাটালিয়নের স্পেশাল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার,সহকারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলাধীন পৌর শহরের সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সামনের মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে তিন হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া ও তাদের নিকট থেকে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহারীত ৪ টি মোবাইল এবং ৭ টি সীম কাড জব্দ করা হয়।
তিনি বলেন গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ফুলবাড়ী থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর সংশোধনী ১০(খ) ধারায় মামলা দায়ের করে উদ্ধারকৃত আলামতসহ আসামীদেরকে হস্তান্তর করা হয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।