১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ঘোড়াঘাট থানা দ্বিতীয় বারের মত জেলার শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে নির্বাচিত

ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর) মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থানা দ্বিতীয় বারের মত জেলার শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। সেই সাথে শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ঘোড়াঘাট থানার ৪নং ঘোড়াঘাট ইউনিয়ন বিটের বিট অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর ফজলার রশিদ। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন,বিপিএম,পিপিএম বার এ পুরুষ্কার প্রদান করেন।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের সার্বিক কর্ম মূল্যায়নে এ পুরুষ্কা প্রদান করা হয়।এ থানাকে শ্রেষ্ঠত্ব এবং পুরুষ্কারে ভূষিত করায় ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিম উদ্দিন, দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন,বিপিএম,পিপিএম বারকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শচীন চাকমা , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ)মোঃ মমিনুল করিম এবং হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার মিথুন সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিম উদ্দিন বলেন,এই পুরষ্কার আমার প্রিয় ঘোড়াঘাট বাসী ও আমার ঘোড়াঘাট থানার সকল অফিসার ও ফোর্সের অর্জন। এই পুরস্কার আমার থানা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের কর্মস্পৃহাকে আরো বেগবান করবে।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।