১৭, আগস্ট, ২০২২, বুধবার

ঘোড়াঘাটে গরম পানিতে শরীর ঝলসে দিল তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীর প্রেমিক

ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর) মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে গেরম পানিতে মোঃ শফিউল আলম শফি(৪৮) নামের এক ব্যক্তির শরীর ঝলসে দিল তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীর পরকিয়া প্রেমিক হযরত আলী ।১৫ মার্চ সোমবার সকাল অনুমান ৮টার সময় উপজেলার বলগাড়ী বাজারে মোঃ আঃ আলিমের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

স্ত্রী শাহানারা বেগমের(৪২) পরকিয়া প্রেমিক একই গ্রামের হযরত আলীর সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে হযরত আলী চায়ের দোকানের গরম পানি ঢেলে দেয় মোঃ শফিউল আলমের শরীরে। এতে মোঃ শফিউল আলমের শরীর ঝলসে যায়। সারা শরীর দগ্ধ হয়ে যায়। তাকে স্থানীয় ঘোড়াঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশংকা জনক।ঘোড়াঘাট উপজেলার শ্রীচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত বানু সরকারের পুত্র মোঃ শফিউল আলম শফি(৪৮)এর স্ত্রী শাহানারা বেগমের সাথে দা¤পত্য জীবন যাপন করা কালে, এক কন্যা, ও ২ পুত্রের জননী হয়।

এমতাবস্থায় একই গ্রামের সমশের ্আলীর পুত্র মোঃ হযরত আলী প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে মোঃ শফিউল আলম শফির বাড়ীতে যাতায়াত করা কালে স্ত্রী মোছা; শাহানারার সাথে ্অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে।তাদের ্অবৈধ সম্পকের কথা জানাজানি হলে স্ত্রী মোছাঃ শাহানারা বেগম মোঃ শফিউল আলমকে তালাকের মাধ্যমে স্বামী স্ত্রীর স¤পর্ক চ্ছিন্ন করে তার পিতার বাড়ীতে চলে যায়। ১৫ মার্চ সোমবার সকাল অনুমান ৮টার সময় উপজেলার বলগাড়ী বাজারে আঃ আলিমের চায়ের দোকানে চা পান করা কালে সেখানে হযরত আলী উপস্থিত হলে আক্ষেপ করে মনের দুঃখ প্রকাশ করে হযরত আলীকে সংসার নষ্ট করার কথা বলে।

উক্ত সময় হযরত আলী ক্ষিপ্ত হয়ে শফিউল আলমকে অশ্লীল ভাষায় গালি গালাছ করার এক পর্যায়ে চায়ের দোকানে চুলার উপরে থাকা গরম পানির কেতলি তুলে শফিউল আলমের শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়। ফলে শরীর ঝলসে যায়।শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলে গিয়ে শরীর ক্ষত, বিক্ষত হয়।

সর্বশেষ নিউজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।  জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।  শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।  তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না। তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।